বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি আমদানি করতে অনাগ্রহী কোরীয় কোম্পানিগুলো। বাংলাদেশি কর্মীদের ঘন ঘন কর্মস্থল পরিবর্তন করার প্রবণতা আর অবৈধভাবে অভিবাসনের প্রচেষ্টার কারণে দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও কোরীয় কোম্পানিগুলো কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে শ্রমিক আমদানি করতে পারছে না। দক্ষিণ কোরিয়ার এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) সেন্টারের কর্মকর্তারা রবিবার রাতে সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ কোরিয়ার সঙ্গে ইপিএস চুক্তি সই করে। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত মাত্র দশ হাজার শ্রমিক গেছে বাংলাদেশ থেকে। অথচ চাহিদা বা কোটা ছিল আরো বেশি।
ইপিএস সেন্টারের কর্মকর্তা মিন হাউ লি সাংবাদিকদের জানান, সেন্টার কোরিয়া গমনে আগ্রহী কর্মীদের দক্ষতা ও ভাষা জ্ঞান পরীক্ষার পর কোম্পানিতে নাম পাঠায়। এর পর কোম্পানি শ্রমিকদের গ্রহণ করে। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত সাত শতাংশ শ্রমিক অবৈধ হয়ে গেছে। এর ফলে কোম্পানিগুলো বাংলাদেশি শ্রমিক নিতে আগ্রহী হয় না। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা ছিল ২০০০। এ কোটাও পূরণ হয়নি। ১৮০০ শ্রমিক গেছে গত বছর। তিনি জানান, মধ্য প্রাচ্যের তুলনায় কোরিয়ায় মজুরি আকর্ষণীয়। একজন শ্রমিক গড়ে ১৫ হাজার টাকা মজুরি পেয়ে থাকে। চলতি বছরে বাংলাদেশের জন্য কোটা রয়েছে ২৭০০। বাংলাদেশ সরকারের উচিত কোরিয়াগামী কর্মীদের সেদেশের আইন ও নীতিমালা সম্পর্কে সচেতন করে তোলা।
