গণভবনে দিনমজুরদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজ

আপডেট : ১২ মে ২০১৪, ২৩:১৪
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘরের অতিথি হিসেবে গণভবনের লেকের কাদা অপসারণকারী দেড়শ দিনমজুরের জন্য একদিন মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পরিবারের জন্য কিছু টাকা উপহারও দেন। গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগের ফেইসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে ফেরার সময় শেখ হাসিনা কর্মরত দিনমজুরদের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ দেখান। তার গাড়ি থেমে যায় গণভবনের লেকের পাশে যেখানে প্রায় দেড়শ দিনমজুর পলি জমে যাওয়ায় লেকের কাদা পরিষ্কারের কাজ করছিলেন। কাজ শেষ হওয়ার পর দিনমজুরদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় একজন দিনমজুর বললেন, ‘আপা, আপনার দেওয়া পোলাও-মাংস পেট ভরে খাইছি।’ জবাবে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আপনারা আমার মেহমান।’ এ সময় এক দিনমজুর বলেন, ‘আল্লাহর কসম, বিশ্বাস হইতেছে না, আফনে আমরার লগে কথা কইতাছুইন’। উত্তরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, ‘আপনারাই আমাকে এখানে এনেছেন। গণভবন বড়লোকদের খাওয়াবে না। আপনাদের খাওয়াবে, যতোদিন আমি আছি এখানে।’ এ সময় আবেগ-আপ্লুত হয়ে অনেকে কেঁদে ফেলেন। চীন ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা দিতে চায় বাসস :চীন বলেছে, তারা ঢাকা-বেইজিং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা দিতে চায়। সফররত চীনা সামরিক প্রতিনিধিদল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাত্কালে এ কথা বলেন। ১৫ সদস্যের এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চীনা বিমান বাহিনীর এয়ার চিফ মার্শাল ও সিপিসি সেন্ট্রাল কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ঝু কুইলিয়াং। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। ঝু কুইলিয়াং আশ্বাস দিয়ে বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং আরো শক্তিশালীকরণে সমর্থন দিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, চীন ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করেছে এবং এটি প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে অনুকরণীয়। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার সুসম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশে অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী এয়ার চিফ মার্শাল ঝু কুইলিয়াংয়ের মাধ্যমে চীনের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সোবহান সিকদার, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন, বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল এবং চীনের রাষ্ট্রদূত লি ঝুন উপস্থিত ছিলেন।