ভারতের লোকসভা নির্বাচনের শেষপর্ব অনুষ্ঠিত হবার সাথে সাথে গতকাল থেকে বুথফেরত জরিপ (এক্সিট পোল) প্রকাশ শুরু হয়ে যায়। প্রায় সবগুলো জরিপে দেখা গেছে বিজেপি এগিয়ে আছে। তবে কংগ্রেস বলেছে তারা এই জরিপে বিশ্বাস করে না এবং জরিপের ফলাফল নিয়ে কোনো বিবৃতি কিংবা মন্তব্যও করবে না।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত এমন এক দেশ যেখানে জরিপের ফল দেখে প্রকৃত ফল অনুমান করা কঠিন। রিচার্স গ্রুপ সি-ভোটার এর বুথফেরত জরিপে দাবি করা হয়, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৮৯ আসন পাবে। আর কংগ্রেসের নেত্বাধীন জোট পাবে ১০১ টি আসন। এই জরিপ সত্যি হলে এটাই হবে কংগ্রেসের ইতিহাসে সবচে খারাপ ফল। সি-ভোটার জানায়, ৫৪৩ আসনভূক্ত এলাকাতেই দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯০১ জনের উপর জরিপ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
অপরদিকে, ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপের পক্ষে পরিচালিত এক বুথফেরত জরিপে বলা হয়েছে এনডিএ পেতে পারে ২৬১ থেকে ২৮৩ আসন। ইউপিএ জোট পেতে পারে একশ আসনের কিছু বেশি। অপরদিকে, ‘টাইমস নাও’ এর বুথফেরত জরিপে বলা হয়েছে এনডিএ জোট পাবে ২৪৯ আসন এবং ইউপিএ জোট পাবে ১৪৮ আসন। অন্যরা পাবে ১৪৬ আসন।
রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়, ২০০৪ এবং ২০০৯ সালের নির্বাচনে কয়েকটি বুথফেরত জরিপ সংস্থা বিজেপিকে জিতিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু দুটি নির্বাচনের পরই দেখা যায় উল্টো ফল। মিত্রদের নিয়ে কংগ্রেসই সরকার গঠন করে কেন্দ্রে। প্রবীন রাই নামের একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বার্তা সংস্থাটিকে বলেন, মোদী জোয়ার প্রকৃত ছিল নাকি গণমাধ্যমের অতিকল্পনা ছিল তা বোঝা যাবে কেবল নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই।
