পাবনা মানসিক হাসপাতালে প্রায় ১০ কোটি টাকার টেন্ডারে জালিয়াতির তদন্ত শুরু হয়েছে। রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করেন।
গতকাল মঙ্গলবার পাবনা মানসিক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মাহাপা/দরপত্র/বিজ্ঞপ্তি/২০১৩-১৪/৭৫৬ (ক), তাং ১৫-০৩-২০১৪ইং নং স্মারকে হাসপাতালের সামগ্রী সংগ্রহের দরপত্র কয়েকটি গ্রুপে আহবান করে। ঠিকাদাররা দরপত্র দাখিল করার পর কোনো কারণ ছাড়াই হাসপাতালের পরিচালক ৩টি গ্রুপের দরপত্র বাতিল করে পুনরায় দরপত্র আহবান করেন। ঠিকাদারদের অভিযোগ, হাসপাতালের পরিচালক ডা: আব্দুর রাজ্জাক শর্ত শিথিল করে তার মনোনীত ঠিকাদারকে অবৈধভাবে কার্যাদেশ দেন।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে স্থানীয় ঠিকাদাররা টেন্ডার জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব খাতে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ রমজান আলী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (শৃংখলা) ডাঃ মোঃ এমদাদুল হককে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এ ব্যাপারে পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক টেন্ডার নিয়ে তদন্তের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট জনৈক ব্যক্তি কাজ না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ তিনি অস্বীকার করে আরো বলেন, টেন্ডার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের উপর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
