অনার্সসহ গ্লোবাল চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে চাইলে

আপডেট : ১৪ মে ২০১৪, ২১:৩৪
পেশাগত জীবন শুরুর আগেই শিক্ষার্থীদের এমন ধরনের পড়ালেখা বেছে নেওয়া প্রয়োজন যাতে তাদের চাকরির পেছনে ছুটতে না হয়। এমন ধরনের পড়ালেখার জন্য পছন্দের বিষয় হতে পারে এসিসিএ এবং এসিসিএ ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (এফডি)। মেধাবীরা তো বটেই, সাধারণ শিক্ষার্থীরাও এখন ঝুঁকছে ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা এবং এসিসিএ পড়াশোনার দিকে। যেখানে আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শুধু বিবিএ করতে প্রায় আট লাখ টাকা এবং এমবিএ করতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা লাগে, সেখানে ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (এফডি) ও অনার্স ইন অ্যাপ্লায়েড অ্যাকাউন্টিং (এসিসিএ পার্ট-২ এবং এসিসিএ পার্ট-৩) সম্পন্ন করতে খরচ হয় প্রায় চার লাখ টাকা। আবার আমাদের দেশি ডিগ্রিগুলোর বিশ্বব্যাপী তেমন কোনো গ্রহণযোগ্যতা না থাকলেও এসিসিএ ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বব্যাপী। বর্তমানে গতানুগতিক শিক্ষার ধারা পাল্টে যাচ্ছে। এখন মেধাবীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী—সবার কাছেই এমন ডিগ্রির গুরুত্ব রয়েছে, যা যোগ্যতার পাশাপাশি আর্থিক সচ্ছলতাও এনে দেবে। তেমনি একটি ডিগ্রি হলো এসিসিএ। আমাদের দেশের যেমন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি (সিএ) ডিগ্রি আছে, তেমনি ইউকে’র সিএ ডিগ্রিকে বলে এসিসিএ। প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং বা এসিসিএ পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে এসিসিএ’র অকল্পনীয় গ্রহণযোগ্যতা। ০১৯১২১০১৪৭৩, ০১১৯৯৯৮২২০২ নম্বরে ফোন করে এই সংশ্লিষ্ট ডিগ্রি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়া যাবে। এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউকে’র প্রফেশনাল সিএ ডিগ্রি। যেহেতু এটি একটি প্রফেশনাল কোর্স, তাই একজন শিক্ষার্থী এসএসসি, এইচএসসি কিংবা ‘ও’-লেভেল শেষ করার পরই ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (এফডি) কোর্স শেষ করে এসিসিএ’র পথে যাত্রা শুরু করতে পারে। আর যারা গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করেছে তারা সরাসরি এসিসিএ শুরু করতে পারেন। এসিসিএর অধীনে প্রধানত দুটি কোর্স পরিচালিত হচ্ছে ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (এফডি) এবং চার্টার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। এফডি অথবা এসিসিএ কোর্সে সারা বছরই ভর্তি হওয়া যায়। মাত্র এক বছরে এফডি কমপ্লিট করে একজন শিক্ষার্থী সরাসরি এসিসিএ পার্ট-২ শুরু করবেন। পরবর্তী দেড় বছরে এসিসিএ পার্ট-২ করলে অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটি, ইউকে থেকে অনার্স ইন অ্যাপ্লায়েড অ্যাকাউন্টিং ডিগ্রিটি অর্জন হয়ে যাবে। তারপর দেড় বছরে এসিসিএ পার্ট-৩ কমপ্লিট করলে একজন শিক্ষার্থী হয়ে যাবে ইউকের কোয়ালিফায়েড চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ)। আমাদের দেশে এসিসিএ এবং এফডির সব পরীক্ষা ব্রিটিশ কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে যে কটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসিসিএ পড়াচ্ছে, তার মধ্যে ব্যতিক্রমধর্মী একটি প্রতিষ্ঠান সাইফুরস ইউনিভার্সিটি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাসের হারও সর্বোচ্চ। কলেজের নিজস্ব ‘পাস গ্যারান্টি স্কিমের’ আওতায় শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিশ্চিত পাসের উপযোগী করে তোলা হয়। পাসের হার এফডিতে প্রায় ৮৩ শতাংশ এবং এসিসিএতে প্রায় ৬২ শতাংশ। উন্নত টিউশনের সাথে নিয়মিত ক্লাস, সর্বশেষ সংস্করণের পাঠ্যবইসমৃদ্ধ লাইব্রেরি, নিয়মিত প্র্যাকটিস টেস্ট, ক্লাস টেস্ট, মক টেস্ট, সলভ ক্লাস, ফিডব্যাক ক্লাস ইত্যাদি সুবিধা এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে। যোগাযোগ :৬৯/বি গ্রিন রোড, পান্থপথ, ঢাকা।