নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশে হত্যা, গুম, অপহরণসহ অবনতিশীল মানবাধিকার পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন পশ্চিমা কূটনীতিক। তারা যে কোন উপায়ে প্রতিটি ঘটনার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেন। অন্যদিকে সরকারের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দু’জন উপদেষ্টা কূটনীতিকদের জানান, নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের বিচার হবেই। সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দলীয় পদ, অবস্থান ভেদে যেই অপরাধী হোক আইনের আওতায় আনতে হবে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় গতকাল বুধবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ১৩টি পশ্চিমা ও উন্নত দেশের কূটনীতিকদের ব্রিফিং দেন। এসময়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, রাশিয়া, ব্রাজিল, কোরিয়াসহ ১৩টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ব্রিফিংএ যোগ দেন।
ব্রিফিংএ সরকারের পক্ষে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের পর সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি, যৌথ অনুসন্ধান কমিটি গঠন, গণ শুনানি গ্রহণ ও অভিযুক্ত র্যাব সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
ব্রিফিং এ কূটনিতিকরা সংবিধানের আওতায় নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি, বিএনপির সঙ্গে সংলাপের দরজা উন্মোচন করার পরামর্শ দেন। জবাবে সরকারের পক্ষে একজন উপদেষ্টা জানান, সংবিধানের বিধির আওতায় বিএনপি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন ও আলোচনা না করলে সংলাপ ফলপ্রসূ হবে না।
