প্রিয় তারুণ্য : মেহ্জাবীন

আপডেট : ১৬ মে ২০১৪, ১৯:৫৪
তিনি শুধু পর্দার নায়িকা নন, হয়ে উঠেছেন দেশের তরুণ প্রজন্মের নায়িকা। চট্টগ্রামের মেয়ে মেহ্জাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই মিডিয়াতে কাজ শুরু করেন। তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী সম্পর্কে ব্যতিক্রম কিছু তথ্য থাকছে এবারের আয়োজনে। তার সাথে কথা বলে জানাচ্ছেন আহসান রনি মেহ্জাবীন চৌধুরী ডাকনাম :জেনিফার জন্মতারিখ :১৯ এপ্রিল পড়াশোনা :শান্তা মরিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে তৃতীয় সেমিস্টারে পড়ছি। অনুপ্রেরণা :আলাদা করে কেউ অনুপ্রেরণা নেই। তবে যদি কারো কাজ ভালো লাগে তবে সে কাজটি ফলো করার চেষ্টা করি। প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা :প্রথম ক্যামেরার সামনে যখন দাঁড়াই তখন আমার বয়স ১৩ বছর। একটি ওয়ার্ল্ড ক্লাস জুয়েলারি শপের ফটোশুটের জন্য। অভিনেত্রী না হলে যা হতেন :অভিনেত্রী না হলে স্পোর্টস বিষয়ক কোনো পেশায় যুক্ত হতাম। কারণ খেলাধুলা আমার খুব প্রিয়। বিশেষ করে বাস্কেটবল। আয়নায় নিজেকে দেখে যা মনে হয় :আয়নায় নিজেকে একেক সময় একেক রকম মনে হয়। তবে আমার একটা বদভ্যাস আছে—কপাল কুঁচকে থাকা। আয়নার সামনে দাঁড়ালে কুঁচকানো কপালের দিকে চোখ পড়ে এবং কপালটা ঠিক করে নিই। সম্প্রতি দেখা চলচ্চিত্র :হাইওয়ে বারবার শোনা গান :ছিয়া নামের একজন শিল্পীর গাওয়া ‘মাই লাভ’ গানটি। ঘুমানোর আগে গানটি অবশ্যই শুনি। যে বইটি অনেকবার পড়েও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে :আমি পড়াশোনাতে খুব ফাঁকিবাজ। একটা বই একবারের বেশি দুইবার পড়ি না। ফাস্টফুডে খেতে গেলে প্রথমেই যা অর্ডার দেন :ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। তবে জুসের মধ্যে ম্যাংগ জুস। আড্ডার সময় বিষয়গুলো :আড্ডার বিষয়গুলো নির্ভর করে কাদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি তার উপর। আমার দুইজন বেস্ট ফ্রেন্ড আছে। ওদের সাথে আড্ডা দিই। বিষয়ের কোনো ঠিক থাকে না। মজার স্মৃতি :২০০৯ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুন্দরী প্রতিযোগিতায় আমি চ্যাম্পিয়ন হই। এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই প্রতিযোগিতার কারণেই আজ আমি তারকা মেহ্জাবীন। তাই এর চেয়ে মজার স্মৃতি আর হতে পারে না।