এ সময়ের প্রতিটি মানুষই নিজের ক্যারিয়ার বিষয়ে সচেতন থাকেন। তবে সবার মাঝে এই সচেতনতার মাত্রা সমান নয়, কমবেশি থাকে। তাই জেনে নিন—আপনি কতটা ক্যারিয়ার সচেতন।
১. আপনি এখনও কোনো চাকরি পাননি। আপনার বাড়ির আর্থিক অবস্থা হঠাত্ করে কোনো কারণে খারাপ হয়ে গেল। তখন আপনি—
ক. তড়িঘড়ি করে যেমন তেমন একটা চাকরি খুঁজে নিতে চেষ্টা করবেন। কারণ, বাড়ির লোকের পাশে দাঁড়ানোটা এখন খুবই জরুরি।
খ. পরিস্থিতি সামাল দিতে ছোটখাটো কোনো কাজ খুঁজে নেবেন। পাশাপাশি আসল পরিকল্পনাগুলো যাতে না নষ্ট হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
গ. একটুও বিচলিত হবেন না। যেমন ঠাণ্ডা মাথায় প্রিপারেশন নিচ্ছিলেন, তেমনই চালিয়ে যাবেন। যা-ই বলেন না কেন, ক্যারিয়ার তো তাড়াহুড়োর ব্যাপার নয়।
২. পাড়ার কোনো ছেলে বা মেয়ে খুব সহজে একটা ভালো চাকরি পেয়ে গেল। এটা শুনলে আপনার—
ক. তেমন কিছুই মনে হবে না। কারণ, আপনি জানেন, ভালো চাকরি পাওয়া আজকাল সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।
খ. খুব খারাপ লাগবে। মনে মনে বেশ হিংসাও হবে।
গ. কোথায় কে চাকরি পেল না পেল, সে খবরে আপনার কোনো আগ্রহ নেই। নিজের ছাড়া অন্য কারো ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে আপনি রাজি নন।
৩. আপনি সরকারি চাকরির জন্য পড়াশোনা করছিলেন। ইতোমধ্যে একটা প্রাইভেট ফার্ম থেকে আপনাকে কাজ করার অফার করা হলো। আপনি তখন—
ক. অবশ্যই চাকরিটা করবেন। চাকরির খরার বাজারে সুযোগ হাতছাড়া করা বোকামি।
খ. ভাববেন, প্রাইভেট ফার্মে জয়েন করার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ, আপনার লক্ষ্য এখন সরকারি চাকরি।
গ. ভেবে দেখবেন। যদি মনে হয়, এখনই চাকরি করাটা জরুরি, তবেই জয়েন করার সিদ্ধান্ত নেবেন।
৪. কোনো একটা বিশেষ চাকরির পরীক্ষার জন্য খাটাখাটি করলেন। কিন্তু শেষমেশ উত্তীর্ণ হতে পারলেন না। এতে আপনি—
ক. মোটেই হতাশ হবেন না। ‘ফেলিওর ইজ দ্য পিলার অব সাকসেস’ ভেবে অন্য একটা পরীক্ষার জন্য উঠেপড়ে লাগবেন।
খ. দারুণ হতাশ হয়ে পড়বেন। মনে হবে, আপনার দ্বারা কিছুই হবে না। গ. সাময়িকভাবে মনটা খারাপ হলেও আস্তে আস্তে তা মানিয়ে নেবেন।
৫. হঠাত্ একটা দারুণ চাকরি পেয়ে গেলেন। তখন আপনি—
ক. ভালোই অনুভব করবেন। মনে করবেন, এখনও সত্ প্রচেষ্টার মূল্য আছে।
খ. একটুও উত্তেজিত না হয়ে কাজ এবং কোম্পানি সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজখবর নেবেন।
গ. আহ্লাদে আটখানা হয়ে যাবেন এবং ফোন করে কাছের লোকজনকে চটপট খবরটা শুনিয়ে দেবেন।
আপনার স্কোর
যদি ০-১৫-এর ঘরে হয়, তবে আপনার পক্ষে ভালো চাকরি পাওয়া একটু কষ্টকর। কারণ, ছোটখাটো ব্যাপারে আপনি বড্ড বেশি বিচলিত হয়ে পড়েন। জীবনের লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে চাইলে ধৈর্য আর স্থিতি দুটোই প্রয়োজন। আপনার মধ্যে এই গুণগুলোর ঘাটতি আছে।
স্কোর যদি হয় ২০-৩৫-এর ঘরে, তাহলে বুঝতে হবে, ভালো-খারাপ দু’রকম পরিস্থিতির মধ্যেই আপনি খাপ খাইয়ে চলতে পারেন।
৪০-৫০-এর ঘরে যদি আপনার স্কোর হয়, তবে আপনি পাক্কা ক্যারিয়ারিস্ট। আপনার ভালো চাকরি পাওয়া ঠেকায় কে? লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে যাওয়া যাকে বলে, তা আপনার মাঝে আছে যথেষ্ট পরিমাণে। নিশ্চিন্তে এগিয়ে যান জোর কদমে। মনমতো কাজ ঠিকই পেয়ে যাবেন।
আপনার স্কোর
ক খ গ
১. ০ ৫ ১০
২. ৫ ০ ১০
৩. ০ ১০ ৫
৪. ১০ ০ ৫
৫. ৫ ১০ ০
