বালাগঞ্জে ভূমির মালিকানা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২১

আপডেট : ২৬ মে ২০১৯, ১৯:৪১

বালাগঞ্জে জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছে। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার রয়েছে। 

শনিবার উপজেলার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের নশিওরপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একই ইউনিয়নের আলাপুর গ্রামের ফারুক মিয়া ও নশিওরপুর গ্রামের আব্দুর রফিকের মধ্যে নশিওরপুর মৌজার অন্তর্ভুক্ত ১৬ শতাংশ আউশ শ্রেণির ভূমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।

সংঘর্ষে আলাপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার পক্ষে আহতরা হলেন, সাজ্জাদ আলী, ইমরান আহমদ, মসকন আলী, আমীর আলী, মাখন মিয়া, মনসুর আলী, ইমাম উদ্দিন ও ফারুক মিয়াসহ ১২ জন।

নশিওরপুর গ্রামের আব্দুর রফিকের পক্ষে আহতরা হলেন, মুজিবুর রহমান, আব্দুল আজিজ, আব্দুস শহিদ, মনফর আলী, আব্দুল জলিল, লুৎফুর রহমান, মুহিবুর রহমান, আব্দুর রফিক ও হুসাইন আহমদ। আহতদের মধ্যে দুই পক্ষের কয়েকজনের অবস্থা সংটাপন্ন বলে জানা গেছে। এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী আতাউর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। 

এ বিষয়ে ফারুক মিয়া জানান, তার স্বজন যুক্তরাজ্য প্রবাসী নজরুল ইসলাম ১৯৮৬ সালে নশিওরপুর গ্রামের জনৈক রাশিদ আলীর কাছ থেকে এই জমি ক্রয় করে ভোগ-দখল করে আসছেন। সপ্তাহ খানেক পূর্বে এই জমিতে আউশের চারা রোপন করা হয়। শনিবার সকালের দিকে নশিওরপুর গ্রামের রফিক ও তার লোকজন সদ্য রোপন করা চারা ট্রাক্টর দিয়ে মাড়িয়ে দেয়। এতে ফারুক মিয়া ও তার পক্ষের লোকজন বাধা দেয়। তখন রফিক মিয়া এই জমির মালিকানা দাবি করে এবং ফারুক মিয়ার লোকজনের ওপর হামলা করে। এতে ১২ জন আহত হয়।

আব্দুর রফিক জানান, শনিবার তারা তাদের ওই জমিতে কৃষি কাজ করতে গেলে আলাপুর গ্রামের ফারুক মিয়া ও তার লোকজন জমির মালিকানা দাবি করে। এ নিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হলে রফিক মিয়াসহ তার পক্ষের ৯ জন আহত হয়।

আরও পড়ুন: গৌরীপুরে দুঃস্থ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে অসচ্ছল পরিবারের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গী বিতরণ

বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। এলাকায় পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি।’

ইত্তেফাক/নূহু