হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া

আপডেট : ২০ মে ২০১৪, ২২:০২
শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গিয়ে একের পর এক আইনী প্রক্রিয়ায় লড়ছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চ আদালতে ঝুলে আছে মামলা। নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। আর এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সিনিয়র শিক্ষক-কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের জন্য আজ বুধবার মৌখিক পরীক্ষার দিন ধার্য করা হয়েছে। এ পদে নিয়োগের উপর হাইকোর্টের ৬ মাসের স্থগিতাদেশ রয়েছে। তারা আরো জানান, কর্তৃপক্ষের পছন্দের লোককে নিয়োগ দিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তড়িগড়ি করে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। পদটির বিপরীতে তিনবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পদটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ডিপুটি রেজিস্ট্রার। নিষেধাজ্ঞার পরও নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার জন্য রিটকারীর আইনজীবী ড. রফিকুল ইসলাম মেহেদী গত ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে লিগ্যাল নোটিস দিয়েছেন। এ বিষয় তিনি জানান, একই বিষয়ে একটি মামলা আদালতে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আইনগত বৈধতা নেই। লিগ্যাল নোটিসের পরও নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করলে শীঘ্রই আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, শেকৃবির রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের জন্য গত ১০ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। ঐ নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ডেপুটি রেজিস্ট্রার চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক গত ২৭ আগস্ট হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর ৬ মাসের স্থগিতাদেশ দেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ স্থগিতাদেশের বিপরীতে সুপ্রীম কোর্টে আপিল করলে সুপ্রিম কোর্ট উচ্চ আদালতের নির্দেশ বহাল রাখে ও নিয়মিত আদালতে শুনানির নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ।