জমির মালিকানা নিয়ে চট্টগ্রামে ৪ গ্রুপ মুখোমুখি

আপডেট : ২২ মে ২০১৪, ২২:৪৪
নগরীর ওআর নিজাম রোডে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের সোয়া ১ একর জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব আরো জোরালো হয়েছে। বিতর্কিত এ জমির ব্যাপারে আদালতের স্থিতাবস্থা থাকলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচালনাধীন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, আলাদী জমাদার ওয়াক্ফ এস্টেট ও একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ইতিপূর্বে জমির মালিকানা দাবি করেছে। এদিকে মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের আগুনে নতুন করে ঘি ঢেলেছে আরো একটি গ্রুপ। এই গ্রুপ গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে। চুক্তিমূলে নিজেকে এই জমির অন্যতম মালিক দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে জনৈক জহর চক্রবর্তী বলেন, ইতিপূর্বে যারা এ জমির মালিকানা দাবি করেছে তাদের আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। কারণ আদালতের রায়ের সাথে খতিয়ানের কোনো মিল নেই। একপক্ষ ভুয়া ওয়াক্ফ সম্পত্তি বলে যাচ্ছে। অন্যপক্ষ ভুয়া খতিয়ান সৃষ্টি করে দখল নেয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, এ জমির প্রকৃত মালিক ছিলেন চার সহোদর হায়দার আলী, ইমাম আলী, আবদুল গণি ও এয়াকুব আলী। তাদের জোর করে উত্খাত করা হয়। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে নিজেদের এ জমির মালিক দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করে আলাদী জমাদার ওয়াক্ফ এস্টেট। অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মূল্যবান জমি রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এস্টেটের মোতোয়াল্লি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যানারে অত্র ওয়াক্ফ এস্টেটের ভাড়াটিয়া আবুল কালাম আজাদের সহযোগিতায় জমিটি অবৈধ দখলে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগকারী উল্লেখ করেন। চিঠিতে তিনি আরো উল্লেখ করেন, উক্ত আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ওয়াক্ফ এস্টেট উচ্ছেদ মামলা দায়ের করলে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ওয়াক্ফ এস্টেটের পক্ষে রায় প্রদান করে। পরে রায়ের বিরুদ্ধে আবুল কালাম আজাদ আপিল মামলা দায়ের করেন যা বর্তমানে বিচারাধীন। অভিযোগের ব্যাপারে সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আমরা জায়গা দখল করিনি । জায়গাটি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনা।