বেল্ট

আপডেট : ২৩ মে ২০১৪, ১৯:৩৬
ফ্যাশনে বাহারি বেল্টের ব্যবহারে তরুণরা বেশ ঝুঁকেছে। নানা ধরনের, নানা ডিজাইনের, নানা রঙের বেল্টে বাজার সয়লাব। তাই বেল্টের ব্যবহারের শুরুর কথা এবং খোঁজখবর নিয়ে রইল কিছু পরামর্শ অষ্টাদশ শতক নাগাদ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে আদরণীয় হয়ে ওঠে বেল্ট। প্রয়োজন এবং ফ্যাশনের রকমফেরে একেক অঞ্চলে একেক ধরনের বেল্টের ব্যবহার দেখা যায়। টেক্সাসের কাউবয় বেল্টের সঙ্গে পদাতিক সৈনিকের বেল্টের পার্থক্য রয়েছে। পার্থক্য রয়েছে অফিসের কেরানির বেল্টের সঙ্গে ফ্যাশনদুরস্ত ফুলবাবুর বেল্টের। সপ্তদশ শতকের আগে মেয়েদের পোশাকে বেল্ট অত্যাবশ্যকীয় ছিল না। কিন্তু বিংশ শতকে ফিগার সচেতনতার সঙ্গে সঙ্গে বেল্ট আমাদের পোশাকের একটি অত্যাবশ্যকীয় অনুষঙ্গ হিসেবে আবির্ভূত হয়। নির্মাণশৈলীতে আসে বৈচিত্র্য। চামড়া ছাড়াও রেক্সিন কাপড়, মেটাল ইত্যাদি নানা মাধ্যমের বেল্ট বাজারে চলে আসে। আজকের দিনে ছেলেমেয়ে সবার জন্য চাই বেল্ট। তা হতে পারে চওড়া বা হতে পারে সরু ফালির মতো। ছেলেদের ফ্যাশনের অন্যতম একটি অংশ বেল্টে ফ্যাশনেবল যুগের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন রকম বেল্ট। এটি ছেলেদের ফ্যাশনের অন্যতম অংশ। তাই ড্রেসের সঙ্গে ম্যাচ করে বেল্ট পরতেই হবে। তা না হলে ড্রেসের সঙ্গে আপনার সৌন্দর্য ফুটে উঠবে না। তবে ফ্যাশনের দিক থেকে দেখলে বকলেসটা বড় ভূমিকা রাখে। কারণ সব ধরনের ডিজাইন ছোট, বড় চাকতি করা থাকে এটাতেই। তাই বকলেসভেদে দাম কমবেশি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে দেশি-বিদেশি সব ব্র্যান্ডের বেল্ট পাওয়া যায়। বেল্ট কেনার জন্য অন্য কোথাও ঘোরাঘুরি না করে আপনি যেতে পারেন এলিফ্যান্ট রোড। কারণ কমবেশি সব দামের দেশি-বিদেশি বেল্ট আপনি সেখানে পাবেন। তা ছাড়া প্রায় সব শপিংমলে যেমন—বসুন্ধরা সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, কর্ণফুলী শপিং কমপ্লেক্স, নিউমার্কেট, গুলিস্তান মার্কেটেও বেল্ট পাওয়া যাবে।