নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৯টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মায়ানমার থেকে আসছে ইয়াবা। বর্তমানে ওই পয়েন্টগুলোতে ১২টি চোরাচালানী সিন্ডিকেট সক্রিয়।
বেশ কিছুদিন ঝিমিয়ে থাকার পর এই রুট দিয়ে ব্যাপক হারে অস্ত্র, ইয়াবা ও মাদক পাচার শুরু হয়েছে। এখানে বর্তমানে ১২টি চোরাচালানী চক্র সক্রিয়ভাবে ইয়াবাসহ মাদক পাচারে সক্রিয়। সিন্ডিকেটগুলো হলো দেলোয়ার- কামাল সিন্ডিকেট, সাইফুল-লাইতুচিং সিন্ডিকেট, উজ্জ্বল-আলী হোসেন সিন্ডিকেট, বিষ্ণ কুমার দাশ-জয়নাল সিন্ডিকেট, মৌলভী সালেহ-ফয়েজ উল্লাহ সিন্ডিকেট, ইউনুছ-নুর হোসেন মেম্বার সিন্ডিকেট, ক্যারালা অং-সেলিম সিন্ডিকেট, মেকানিক নুরুল আলম-সালেহ আহমদ সিন্ডিকেট, ফরিদ উল্লাহ-মৌলভী শাহজাহান সিন্ডিকেট, সুমন-মোঃ নুর সিন্ডিকেট, শামসুল আলম-ইকবাল সিন্ডিকেট, রফিক-লিটন সিন্ডিকেট। প্রত্যেক সিন্ডিকেটের সদস্য সংখ্যা ১০-১২ জন।
পাচারকারীরা আশারতলীর (৪৭ নং পিলার) পর্দান ঝিরি থেকে এই ইয়াবা সংগ্রহ করে। পরে বাইকযোগে উপজেলা সদরের মসজিদ ঘোনা মজুদপূর্বক সুযোগ বুঝে সিন্ডিকেটের অপর সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে দেয়। উল্লেখিত ব্যক্তিরা প্রতিরাতে বাইকের সিট কভারের ভিতর, পাজারো, মাইক্রো, জিপ বাসযোগে ইয়াবা পাচার করে আসছে। পয়েন্টগুলো হলো চাকঢালার ৪৩ নং সীমান্ত পিলার দ: চাকঢালার কাসিম এর বাড়ি এলাকা, আশারতলীর ৪৪ নং, চেরারকূলের ৪৫ নং, কম্বনিয়ার ৪৬ নং, ৪৭ নং পর্দান ঝিরি, ৪৮ নং ফুলতলী, ৪৯ নং ভাল্লুখ খাইয়া, দৌছড়ির পাইন ছড়ি ৫২ নং, ৫১ নং কোলাচি, ঘুমধুমের বাইশ ফাড়ি, তুমরু।
সোনাইছড়ির বাসিন্দা ও বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যানিং মার্মা বলেন, সোনাইছড়ির মারিগ্যা পাড়া দিয়ে থোয়াইগ্যা কাঁটা ইয়াবা পাচারের নিরাপদ রুটে পরিণত হয়েছে। গুটিকয়েক ব্যক্তি এই ব্যবসা করে সুন্দর এই উপজাতীয় এলাকাটির পরিবেশ নষ্ট করছে।
