নজরুল সংগীত শিল্পী

আপডেট : ২৫ মে ২০১৪, ২০:২৪
কাজী নজরুল ইসলাম তার স্বল্পায়ু কর্মজীবনে তিন হাজারেরও বেশি গান রচনা করেছেন। পৃথিবীর কোনো ভাষায় একক হাতে এত বেশি সংখ্যক গান রচনার উদাহরণ নেই। এসব গানের বড় একটি অংশ তারই সুরারোপিত। তার কিছু গান জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে সংকলিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে আরও গান সংগৃহীত হয়েছে। যা সব প্রজন্মের মাঝেই সমান আবেদন রাখে। গত ২৫ মে ছিল কবির ১১৫তম জন্মবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে আমাদের এবারের আয়োজন প্রজন্মের বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পীদের নিয়ে। আয়োজনটি গ্রন্থনা ও সম্পাদনা করেছেন রিয়াদ খন্দকার ও সাজেদুল ইসলাম শুভ্র খা য় রু ল আ না ম শা কি ল পরিবারেই সাংস্কৃতিক চর্চার পরিবেশ পেয়েছেন শৈশব থেকেই। বাবা রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন, সাংগঠনিক বিষয়গুলো তাই তখন থেকেই তাদের আয়ত্তে। মামা ছিলেন ছায়ানটের শিক্ষক, তার গানের গুরু বলা যায় তাকেই। পাশাপাশি মায়ের অনুপ্রেরণারও কমতি ছিল না। পুরো বাড়ি গানে আড্ডায় মুখর থাকত দিনমান। নজরুলসংগীতশিল্পী খায়রুল আনাম শাকিলের ছেলেবেলা কেটেছে এমনই আনন্দে। সেই সময়ের টিভিতে গানের প্রতিযোগিতাতেও অংশ নিতেন ঢের। পুরস্কারও পেতেন অনেক। কাজেই সংগীত শেখাটা সিরিয়াসলি নিলেন। আর এখন তো ছায়ানটের মতো বড় সংস্থার পরিচালনায় রয়েছেন এই বিশিষ্ট শিল্পী। খায়রুল আনাম শাকিল মনে করেন, সময়ের সাথে অনেককিছুই বদলে যাবে, এটাই সঠিক। কিন্তু কারও সৃষ্টিকর্ম তো অক্ষয়! এটা চাইলেই পরিবর্তন করে ফেলা যায় না। কাজী নজরুলও তেমন, তিনি জীবদ্দশায় তার পুরো কাজ গুছিয়ে যেতে না পারলেও অনেক দিকনির্দেশনা তার কাজে ছিল। নজরুল ইনস্টিটিউট সেগুলো নিয়ে কাজ করছে। সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে যেটুকু ঘাটতি তা পূরণ করে নজরুলসংগীতকে তার ধারায় ধরে রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। খায়রুল আনাম শাকিল কথা বলেছেন ছায়ানট নিয়েও, ‘সংক্ষিপ্তভাবে ছায়ানটের ৫০ বছরের অর্জন নিয়ে বলা কঠিন। স্বাধীনতার পূর্বে বাঙালির মধ্যে সাংস্কৃতিক সচেতনতা গড়ে তুলতে ছায়ানট নিরলস কাজ করে গেছে। যারা যুক্ত ছিলেন এই সংগঠনের সঙ্গে তারা সাহস নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। মুক্তিবাহিনী ও শরণার্থীদের উজ্জীবিত ও সাহস যুগিয়েছেন তারা কণ্ঠ দিয়ে। স্বাধীনতার পর নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাংস্কৃতিক সচেতনার যে ঘাটতি রয়েছে তা পূরণ করার জন্য এখনও পর্যন্ত কাজ করে চলেছে ছায়ানট। সংগীত শিক্ষার পাশাপাশি এখানে চলছে সংস্কৃতি সমন্বয় শিক্ষা, ভাষার আলাপ, শেকড়, সুরের জাদু, রঙের জাদু, প্রকাশনা, গুণীজনদের বক্তব্য এবং শাস্ত্রীয় সংগীতে গুরু-শিষ্য পরম্পরা শিক্ষাদানসহ বহু কার্যক্রম। বর্তমানে ছায়ানট তার নিজস্ব ভবনে দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থী এখানে পাঠ নিচ্ছে। অর্ধ শতাব্দীতে সংগীত বিদ্যায়তনটির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি।’ প্রজন্মের উদ্দেশে পথিকৃত্ এই শিল্পী বলেন, ‘এই সময়ের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার চাপে এতটাই যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে যে, জীবনের অনেক চাওয়া-পাওয়া থেকে যাচ্ছে তাদের অধরা।’ নিজের শৈশবের কথা বলতে গিয়ে নস্টালজিক হয়ে গেলেন। সেই স্কুল থেকে ফিরে ঘুড়ি ওড়াতে বের হয়ে যাওয়া, কখনও বন্ধুদের নিয়ে তুমুল আড্ডা, সন্ধ্যায় পড়তে বসা, রাত গভীর হওয়ার আগেই বই তুলে রেখে পারিবারিক আড্ডা, গান! সেই দিন তো এখন নেই, বাস্তবতাও তেমন নয়। তবুও তিনি অনুভব করেন প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা বা ক্যারিয়ার ভাবনাই জীবনের সবটা নয়। প্রকৃত মানুষ হতে হলে জীবনবোধের যে শিক্ষাটা দরকার, তার চর্চাটা আমাদের থাকা উচিত। খায়রুল আনাম শাকিলের দুই ছেলে, তারা গান শোনেন প্রচুর। তাদের বাবাও অবসরে গান নিয়েই মেতে থাকেন যে! স্ত্রী মাসুদা নার্গিস আনাম ছায়ানটের শিক্ষক। দুই পুত্রের একজন ধ্রুব দেশের বাইরে পড়ছেন, আরেকজন অর্ণব ক্লাস এইটে পড়েন সানবিমসে। খুব আড্ডা দিতে ভালোবাসেন শাকিল, সে পরিবার নিয়ে হোক, হোক না পুরোনো বন্ধুদের সাথে। এভাবেই মুখরিত থাক তার বাকিটা জীবন, এই শুভ কামনা। খায়রুল আনাম শাকিল ডাকনাম :শাকিল মায়ের নাম :নিলুফার খায়ের বাবার নাম :মো. আবুল খায়ের প্রথম স্কুল :ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল প্রিয় মানুষ :বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রিয় উক্তি :কাছের মানুষেরা যখন এসে জিজ্ঞেস করে, কীরে কেমন আছিস? প্রিয় পোশাক :পাজামা-পাঞ্জাবি অবসর কাটে যেভাবে :গান শুনে, বই পড়ে সাফল্যের সংজ্ঞা :শুধুই কাগজে কলমে নয়, বাস্তবিক একজন প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠা। ০০০০০০০০০০০০০ ফা তে মা তু জ জো হ রা তখন বয়সটা ছিল ৩-৪ বছর। জয়পুরহাট স্কুলে পড়তেন। বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়া, দৌড়াদৌড়ি আর বন্ধুদের সঙ্গে খুনসুটি—এভাবেই কেটেছে তার কোলাহলময় স্কুলজীবন। কিন্তু পরিবারের চিত্রটি ছিল একেবারেই আলাদা। বাবা ডা. সৈয়দ ফরিদ উদ্দীন। মানুষের সেবাই ছিল তার মূল ব্রত। তবে এর পাশাপাশি গান গাইতেন। নজরুলসংগীতের প্রেমে পড়েন তিনি। নিজের ছোট্ট মেয়েটির মাঝেও নজরুলের সুরে সুধা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তখন থেকেই নজরুলসংগীতের প্রতি ভালোবাসায় আবদ্ধ হন ফাতেমা তুজ জোহরা। নজরুলসংগীতে তার হাতেখড়ি হয় বাবার ঘনিষ্ট বন্ধু হাবিবুর রহমানের কাছে। চলতে থাকে এই গুণী শিল্পীর সংগীত সাধনা। এগিয়ে যেতে থাকেন ধীরে ধীরে। নজরুলকে বোঝার, নজরুলকে জানতে, নজরুলের শিষ্টাচার সব কিছুই আতস্থ করতে থাকেন। যেহেতু পরিবারের সবাই সংগীতপ্রিয় মানুষ তাই রোজ সন্ধ্যায় গানের আসর হতো বাড়িতে। সেখান থেকে বেশ অনুপ্রেরণা পেতেন এই গুণী শিল্পী। এমনই আবহে কেটেছে তার স্কুলজীবন। এরপর জয়পুরহাট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন। উচ্চশিক্ষা অর্জনের যে ধ্যানজ্ঞান, যে নানাবিধ প্রচেষ্টা তা অত্যন্ত সাবলীলভাবে চলতে থাকে। কিন্তু সংগীতের ভুবনে পদচারণা আরও সমৃদ্ধ হয় এই সময়ে। দুই ভাই, দুই বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফাতেমা তুজ জোহরা শুধু পড়ালেখা বা সংগীত চর্চা নিয়েই থেমে থাকেননি; কবিতা, উপন্যাস, গল্প লেখাতেও বেশ সফল এই সংগীত সম্রাজ্ঞী। ১৯৭৫ সালে তিনি রেডিওতে এবং ১৯৭৭ সালে টেলিভিশনে প্রথম গান করেন। তিনি গায়িকা হিসেবে পরিচিত হলেও বিভিন্ন মাধ্যমে রয়েছে তার সফল পদচারণা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত ‘সোনার কদিন’ এবং ‘কিছু নিয়ে কিছু কথা কলাম সমগ্র’ এবং কবিতার বই প্রকাশ করেছেন। এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে তার ২০টিরও বেশি অ্যালবাম বেরিয়েছে। এর আগেই তিনি সাংসারিক জীবনে প্রবেশ করেন। সংসারে প্রবেশ করার পরও সংগীতপাগল ফাতেমা তুজ জোহরাকে বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি। বরং স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির কাছ থেকে উত্সাহ পেয়েছেন। স্বামী ইঞ্জিনিয়ার একেএম নুরুজ্জামান একনিষ্ঠভাবে তাকে সহযোগিতা করেছেন। দুই মেয়ে, এক ছেলে সন্তানের জননী এই শিল্পী নিজের পরিবারেও গানের আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। ’৭৬ সাল থেকে প্রমো শুরু করার মধ্য দিয়ে একনাগাড়ে বাংলাদেশ বেতারে নজরুলসংগীত পরিবেশন করছেন। টেলিভিশন ও বেতারে গান গাওয়ার পাশাপাশি স্টেজ শো করতে বেশ ভালোবাসেন তিনি। কারণ এ সময় দর্শক খুব কাছ থেকে গান অনুধাবন করতে পারে এবং দর্শকের চাওয়া-পাওয়ার অনুভূতি জানা যায়। ফাতেমা তুজ জোহরা নজরুলসংগীতের অনন্য দিকপাল। নজরুলসংগীত চর্চা, নজরুলের গানের মিষ্টি সুরের ধারা প্রবর্তন, নজরুলের ফেলে আসা অসামান্য কীর্তি তুলে ধরার মধ্য দিয়ে বর্তমান সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। ফাতেমা তুজ জোহরা ডাকনাম :ফাতেমা জন্ম তারিখ ও স্থান :১৫ জানুয়ারি, বগুড়া মায়ের নাম :মিসেস ফজিলাতুন্নেসা বাবার নাম :মরহুম সৈয়দ ফরীদ উদ্দিন প্রথম স্কুল :জয়পুরহাট প্রাইমারি স্কুল প্রিয় পোশাক :শাড়ি অবসর কাটে যেভাবে :গান শুনে, বই পড়ে। ০০০০০০০০০০০০০ সু জি ত মো স্ত ফা যখন ক্লাস ওয়ানে পড়েন তখন তার পরিবার থাকত পাবনায়। বাড়ির অদূরেই ছিল বাণী সিনেমা হল। প্রতিদিন ওখান থেকে সিনেমার গান ভেসে আসত। মুগ্ধ হয়ে যেতেন তিনি সেসব গানে। গানের প্রতি তার অনুরাগের শুরুটা বুঝি তখন থেকেই। তারপর রাজশাহীতে অনুপ কুমার দাসের কাছে হাতেখড়ি নেন গানের। এরপর একে একে দেশে ও বিদেশে বেশ কজন গুণী সংগীতজ্ঞের কাছ থেকে সংগীতে দীক্ষা নিয়েছেন। তিনি বিশিষ্ট নজরুলসংগীতশিল্পী এবং নজরুল গবেষক সুজিত মোস্তফা। নজরুলসংগীতের সাথে সখ্য প্রসঙ্গে মেধাবী এই শিল্পী বলেন, ‘একেকজনকে একেকটা ধারা টানে। তেমনি নজরুলের গানের সুরবৈচিত্র্য আমাকে আকর্ষণ করেছে সবচেয়ে বেশি। কারণ নজরুলের গান অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং, সুরের ওপর বেশ দখল লাগে। আর বাস্তব পৃথিবীর একজন মানুষ হয়েও কাল্পনিক যেকোনো চরিত্রের চাইতে নজরুল ছিলেন অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় ও বহুমুখী প্রতিভাদীপ্ত। নজরুল একদিকে যেমন ছিলেন তীব্র আবেগময়, তেমনি অসম্ভব ক্ষমতাশালী আর যুগ পরিবর্তনকারী একটি চরিত্র। এসব কারণে সেই ছোটবেলাতেই নজরুল আমার আদর্শ হয়ে উঠেছিলেন। আমার মনে হতো, তার গান যদি একটু গাইতে পারি তবে হয়তো তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে।’ তিনি মনে করেন, এই সময়ে নজরুলসংগীতের চর্চা হয়তো তুলনামূলকভাবে একেবারে কম নয়, তবুও তরুণদের মাঝে এ বিষয়ে আগ্রহ আশানুরূপ নয়। তাদের উপযোগী করে নজরুলসংগীতকে জনপ্রিয় করার প্রয়াস আসলে খুব কম। সরকার থেকে উদ্যোগ আসে, কিন্তু আদৌ তা বাস্তবায়ন হয় না পুরোটা। কারণ তার গান সবার কাছে পৌঁছে দিতে যে ধরনের পরিকল্পনা দরকার, তা হয় না। তিনি মনে করেন, নজরুল সম্পর্কে জানেন এবং জ্ঞান রাখেন এ ধরনের মানুষের সম্পৃক্ততা আরও বেশি দরকার এসব আয়োজনে। সুজিত মোস্তফা জানালেন, শিল্পের মাধ্যমে বিত্তবানের সাথে চিত্তবান লোকের প্রয়োজনটাও খুব বেশি। এই দিকটা নিজের মাঝে জাগাতে হবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে নজরুলসংগীতশিল্পী পরিষদ। তিনি এখানে সাধারণ সম্পাদকের পদে আছেন। দেশের শীর্ষ শহরগুলোতে এবার হবে নজরুলসংগীত উত্সব। তাছাড়া স্কুলে স্কুলেও নজরুলসংগীতের উপর কর্মশালা ও সংগীত প্রশিক্ষণের আয়োজনও করে চলেছেন তারা। সুজিত মোস্তফা জানালেন, ১৯৯৪ সালে বাবা আবু হেনা মোস্তফা কামালের লেখা গান নিয়ে প্রথম আধুনিক গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেছিলেন সুজিত মোস্তফা। ‘আমার গানের চরণখানি’ শিরোনামের সে অ্যালবামটি বের হয় কলকাতা থেকে। তার শিল্পীসত্তা আর সামগ্রিক জীবনবোধে বাবার প্রভাব সবচেয়ে বেশি। বাবা ছিলেন খ্যাতিমান লেখক, সাহিত্যিক ও গীতিকার, যিনি অত্যন্ত মেধাবী একজন মানুষ। তিনি ছিলেন নীতিবান ও স্পষ্টবাদী। সত্য কথাটা তিনি সবসময় অকপটভাবে সত্ সাহসের সাথে উচ্চারণ করতেন। বাবার এ আদর্শটা তিনি নিজের মধ্যেও অনুভব করেন, অনুসরণ করেন। তার স্ত্রী মুনমুন আহমেদ বাংলাদেশের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী। মূলত ভারতীয় উচ্চাঙ্গ কত্থক নৃত্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী এই শিল্পী উচ্চাঙ্গ ও উচ্চাঙ্গনির্ভর নৃত্যের পরিবেশন করে থাকেন। তাদের একমাত্র মেয়ে অপরাজিতা এবার এ লেভেলে পড়ছেন। সুজিত মোস্তফা মনে করেন, স্রষ্টা যে তাকে গান গাওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন, তিনি যে গাইতে পারেন—এটাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। গান গাওয়ার সময় তিনি একটি সুন্দরের জগতে থাকেন এবং প্রতিদিন তার সেই জগত্ পরিভ্রমণের সুযোগ হচ্ছে যা তার সবচেয়ে বড় আনন্দ। সুজিত মোস্তফা ডাকনাম :বিদ্যুত্ জন্মতারিখ ও স্থান :১৫ ফেব্রুয়ারি, পাবনা মায়ের নাম :হালিমা মোস্তফা বাবার নাম :আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রথম স্কুল :পাবনা পুলিশ লাইন স্কুল প্রিয় মানুষ :আমার বাবা প্রিয় উক্তি :এখনও তোমার যোগ্য যে গান, আমি তার সন্ধানে আলোতে ছায়াতে খুঁজে মরি সবখানে! প্রিয় পোশাক :টি-শার্ট অবসর কাটে যেভাবে :গান শুনে, বই পড়ে সাফল্যের সংজ্ঞা :সফলতা একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মানুষ লক্ষ্যের দিকে পৌঁছে, কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষিত জায়গাটা আসলে অসীম।