ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আজ সোমবার শপথ নিচ্ছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন এনডিএ নেতা নরেন্দ্র মোদী। আজ সন্ধ্যা ৬টায় রাষ্ট্রপতি ভবনের আঙ্গিনায় শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে আড়াই হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এবারই প্রথম সার্ক দেশগুলোর সরকার এবং রাষ্ট্র প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। রবিবার মোদীর মন্ত্রিসভার সদস্যদের একটি তালিকা রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির কাছে পাঠানোর কথা ছিল। মোদীর মন্ত্রিসভা ছোট হবে বলে জানা গেছে। খবর এনডিটিভি’র।
মন্ত্রিসভায় বিজেপি’র শীর্ষ নেতা রাজনাথ সিং, অরুণ জেটলি, নীতিন গড়কড়ি, সুষমা স্বরাজ, অরুণ শৌরি, রাভি শঙ্কর প্রাসাদ মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। বিজেপি’র মিত্র দলগুলোকেও মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে। শিব সেনা, চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম পার্টি এবং রাম বিলাস পবনের লোক জনশক্তি পার্টি থেকে নির্বাচনে তাদের ফলাফলের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার সদস্য করা হতে পারে। পাঞ্জাবে বিজেপি’র মিত্র আকালি দল জানিয়েছে, তারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দেবেন না। শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, নেপাল, ভুটান ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী উপস্থিত থাকবেন। এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ৫৪৩ আসনের লোকসভা নির্বাচনে ২৮৩ আসন পেয়েছে। আর ২৯ মিত্রসহ দলটি পেয়েছে ৩৩৬ আসন। এককভাবে সরকার গঠন করতে ২৭২ আসনের প্রয়োজন।
এদিকে, আজ অনুষ্ঠেয় মোদীর শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা। নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর অভিনন্দন জানালেও শেষপর্যন্ত অনুষ্ঠানে থাকছেন না তিনি। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর কারণেই সিদ্ধান্ত বদল করছেন তিনি। এমনকি দলের পক্ষ থেকে সম্ভবত কোনও প্রতিনিধিও পাঠাচ্ছেন না এআইএডিএমকে প্রধান। মোদীর সঙ্গে বরাবরই সুসম্পর্ক ছিলো জয়ললিতার। ২০১২ সালে চতুর্থবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর শপথগ্রহণে হাজির ছিলেন জয়ললিতা। রাজাপাকসেকে আমন্ত্রণ জানানো দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন জয়ললিতা। অপরদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ব্যক্তিগতভাবে হাজির না থাকলেও তার দলের প্রতিনিধি থাকছে বলে জানা গেছে।
