নরেন্দ্র মোদির শপথ ৩০ মে

আপডেট : ২৬ মে ২০১৯, ২২:৪৪

দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আগামী ৩০ মে শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেবেন তিনি। ইতিমধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আইন প্রণেতাদের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শনিবার রাতে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাত্ করেন মোদি ও তার জোট সঙ্গীরা।

এক টুইট বার্তায়   রাষ্ট্রপতি রামনাথ বলেন, নরেন্দ্র মোদিকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নামের তালিকা ও নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের দিন নির্ধারণ করে পাঠাতে বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নতুন মন্ত্রীদের নাম গোপন রাখা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতি টুইটে জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নতুন মন্ত্রীরাও শপথ নেবেন। শপথ অনুষ্ঠানের অতিথিদের তালিকাও এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ২০১৪ সালে সার্কভুক্ত দেশের নেতাদের মোদির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং বিজেপি সভাপতি এবারের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ দেখতে চান। পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ১৮ আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। এবারের মন্ত্রিসভায় তাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বড় প্রতিনিধিত্ব থাকতে পারে।

গান্ধী পরিবারের বাইরের কাউকে সভাপতি করার প্রস্তাব রাহুলের

লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর কংগ্রেসের রাজনীতিতে গান্ধী পরিবারের ভবিষ্যত্ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার প্রস্তাব কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী কমিটি নাকচ করলেও রাহুল তার অবস্থানে অনড় রয়েছেন। শনিবার কমিটির বৈঠকে পদত্যাগের পাশাপাশি কংগ্রেসের সভাপতি পদে গান্ধী পরিবারের বাইরের কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে সভাপতি পদে যেন ভাবা না হয়।

বলা হচ্ছে, লোকসভায় বিপর্যয়ের পর গান্ধী পরিবারের দিকে আর কোনো আঙুল তোলার সুযোগ দিতে চাইছেন না রাহুল। রাহুল বলেন, তিনি দলের জন্য অন্য যে কোনো কাজ করবেন। সংসদের নেতাও হতে পারেন। আরো তিনটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু সভাপতি থাকবেন না। এদিন বৈঠকে নিজেদের ছেলেদের জোর করে প্রার্থী বানানোর জন্য কংগ্রেস নেতাদের সমালোচনা করেন রাহুল।