হাতিয়া-বয়ারচর চেয়ারম্যানঘাট নৌপথে জরাজীর্ণ ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন তিন শতাধিক যাত্রী পারাপার করছে। এসব ট্রলারের নেই ফিটনেস সার্টিফিকেট এমনকি নেই সারেং সার্টিফিকেট। মেঘনার এ নৌরুটে বিআইডব্লিউটিসি’র একমাত্র সী ট্রাক ব্যতীত অন্য কোন নৌযানে লোক পারাপার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ দুই ঘাটেই পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে। প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়ে প্রতিদিন অবৈধভাবে যাত্রীপ্রতি ২শ টাকা করে হাজার হাজার টাকা আদায় করছে। এতে সরকার বছরে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় উত্তাল মেঘনায় যে কোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
জার্মান রেডক্রস হাতিয়া প্রকল্পের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
হাতিয়া (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, জার্মান রেডক্রস ইকোর সহায়তায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন ও নিজস্ব অর্থায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাতিয়ায় দুটি প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
হাতিয়ার বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব জায়গায় বিশাল অফিস থাকা সত্ত্বেও প্রতিমাসে ৭০ হাজার টাকায় দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার ছোট দুটি কক্ষ ভাড়া নেয়া হয়েছে। এ ভাড়ায় ঐ এলাকায় ২০ থেকে ২৫টি রুম ভাড়া পাওয়া যায়। অথচ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টের হাতিয়া অফিসটি সংস্কার করা হলে যেমন অফিসটির উন্নয়ন ঘটতো এবং জার্মান রেডক্রস বিনা ভাড়ায় থাকারও ব্যবস্থা হতো। অভিযোগ রয়েছে, ৭০ হাজার টাকা ভাড়ার অল্প কিছু খরচ করে বাকি টাকা আড়ালে ভাগাভাগি হচ্ছে। দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা যে অফিসটি ভাড়া দিচ্ছে তা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র। যা সব সময় জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা। নলছিড়া ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির বাবলু চলতি মাসের ১২ তারিখ হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে এ প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে লিখিতভাবে জানান।
