উখিয়া-টেকনাফে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের বিশাল একটি অংশ ইয়াবা লেনদেনের সাথে সরাসরি জড়িত হয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গারা সরকারি বেসরকারি ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধাদি ভোগ করার পাশাপাশি কতিপয় স্থানীয় ইয়াবা ব্যবসায়ীর সহযোগিতায় এই ব্যবসা করে বিপুল অর্থের মালিক হয়ে উঠেছে। ফলে স্থানীয় আইনের তোয়াক্কা করছে না তারা। টাকার গরমে ক্যাম্পে আধিপাত্য বিস্তার, অতীতের বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ইত্যাদি তুচ্ছ ঘটনাকে সহিংসতায় রূপ দিতে দ্বিধাবোধ করছে না এই রোহিঙ্গারা।
কুতুপালং ক্যাম্প ম্যানেজমেন্ট কমিটির সেক্রেটারী মো. নুর জানান, ২৫ আগস্ট ২০১৭ এর পর থেকে যেসব রোহিঙ্গা এদেশে আশ্রয় নিয়েছে তাদের অধিকাংশই ইয়াবা ব্যবসা করে লাখ লাখ টাকা ও বিভিন্ন সম্পদের মালিক বনে গেছে। তাদের নেতৃত্বে ক্যাম্পে চলছে ইয়াবার রমরমা বাণিজ্য। এসব রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করছেন অস্ত্রধারী কয়েকটি সিন্ডিকেট। তারা বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে চাঁদাবাজি, অপহরণ, মানবপাচার, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকলেও সাধারণ রোহিঙ্গাদের এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করার কোনো সাহস নেই। প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে অপহরণ করে জবাই করে হত্যা করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার ইয়াবা লেনদেনের ঘটনা নিয়ে রোহিঙ্গাদের দু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় সেনা সদস্যরা ৭ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্প ইনচার্জের নিকট হস্তান্তর করে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের জানান, তাদের প্রত্যেককে ১০ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, ক্যাম্পে অপরাধ প্রবণতায় জড়িত বেশিরভাগ রোহিঙ্গা নারী গঠিত ও ইয়াবা লেনদেনের সাথে জড়িত।
