জানার আছে

বিমানেও হতে পারে ক্ষতি

আপডেট : ৩০ মে ২০১৪, ১৯:৪৯
শিরোনাম পড়ে হয়তো অনেকে অবাক হতে পারেন যে বিমানের আবার ক্ষতি কীসের। কারণ, বিমান তো আমাদের কাজে আসে, এটা দ্রুতগামী পরিবহন, আমাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয় খুব অল্প সময়ে। এটা দিয়ে আমাদের আর কী ক্ষতি হবে! তবে বিজ্ঞানীদের মতে বিমানেও আমাদের পরিবেশের ক্ষতি সাধন হচ্ছে। প্রকৃতির উপর চাপ পড়ছে। আরও একটু খোলামেলাভাবে বলতে গেলে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কথা বলতে হয়। সম্প্রতি মার্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, এয়ারপোর্ট এলাকায় বসবাস করলে কেবল যে প্লেনের শব্দেই ঘুমের বারোটা বাজে তাই নয় বরং এয়ারপোর্টে বিমান ওঠানামার কারণে এলাকার আবহাওয়াও ভয়ানক রকমের বিশ্রী হয়ে পড়ে। সেই সাথে আরও জানা গেছে, বিমানের ওঠানামার কারণে এয়ারপোর্ট এলাকায় বৃষ্টিপাত এবং তুষারপাতের ওপরও ভয়াবহ রকমের প্রভাব পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর অ্যাটমোসফেরিক রিসার্চের গবেষকরা জানিয়েছেন, বিমান আকাশে ওড়ার সময় আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘে গর্ত সৃষ্টি করে এবং ওপরে ওঠার পর মেঘের গায়ে সৃষ্টি করে বিভিন্ন ধরনের নালা। আর এই গবেষণার তথ্য হিসেবে গবেষকরা বলছেন, মেঘের প্রকৃতিতে হওয়ার ফলে তুষারপাতের আশংকা বেড়ে যায়। এ ছাড়াও জেট প্লেন মেঘে যে গর্তের সৃষ্টি করে তাতে আইস ক্রিস্টাল বা বরফ কণার তৈরি হয় এবং তা ব্যাপক হারে বৃষ্টিপাত ঘটায়। গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্স সাময়িকীতে। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, ব্যস্ত এয়ারপোর্ট এলাকায় এ প্রভাব পড়ে সবচেয়ে বেশি। বলা হচ্ছে, এ জন্যই লন্ডনের হিথরো এয়ারপোর্টের আশপাশের এলাকায় বৃষ্টিপাতের হার বেশি।