মহাকাশচারীদের জন্য খাদ্য হিসেবে পোকার ব্যবস্থা করলে কেমন হয়? চীন মঙ্গল গ্রহে মহাকাশযান পাঠাবে কবে? গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের সৃষ্টির রহস্য কী? ১৮ থেকে ২৫ জুলাই জার্মানির ব্রেমেন শহরে প্রায় ৭০টি দেশের ৪,০০০-এরও বেশি বিজ্ঞানী এমন অনেক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করলেন ‘কসপার ২০১০’-এ গণ্যমান্য বিজ্ঞানীরা। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নাম ‘সিওএসপিএআর অ্যাসেমব্লি’ ব্রেমেনে ৩৮তম এই সম্মেলনে অংশ নেন বাংলাদেশের মহাকাশ বিজ্ঞানী তানভির ফারুক, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ সাইনটিস্ট হিসেবে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা ‘নাসা’র সঙ্গে একটি প্রকল্পে কাজ করছেন। তার কাজ পৃথিবীর বুকে বসে মাধ্যাকর্ষণ-বিহীন পরিবেশ তৈরি করার কঠিন কাজ নিয়ে। অথচ দূরপাল্লার মহাকাশ অভিযানে মানুষ পাঠাতে হলে এই পরিবেশ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। কেমন খাবার খেতে হবে ভবিষ্যতের মহাকাশচারীদের, ব্রেমেনের সম্মেলনে যে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, সেটা হলো দূরপাল্লার মহাকাশ অভিযানে মানুষের খাদ্যের সংস্থান। তবে শুধু পোকামাকড় নয়, সেই খাদ্যের উপাদান হিসেবে বাদামী চালের ভাত ও সোয়াবিনও থাকবে। মহাকাশযানের ভিতরে অথবা চাঁদের বুকে এই খাদ্যের উপাদানগুলো উত্পাদন করা যাবে বলে জাপানি বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন। ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ সেই খাবার খেয়ে নাকি ঢালাও সার্টিফিকেট দিয়েছেন।
