তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ৩০ মে ২০১৪, ২০:০৩
দে খা র ছ বি অ্যামেজিং স্পাইডার ম্যান ২ আরও যা দেখতে পারেন  এক্স-ম্যান  মিলিয়ন ডলার আর্ম  দ্য আদার ওমেন স্পাইডার-ম্যানের ভক্ত আমরা কমবেশি সবাই। যারা স্পাইডার-ম্যানের সিনেমা দেখেন তারা খুব ভালোভাবেই জানেন যে তার সবচেয়ে বড় লড়াই চলে তার নিজের মধ্যে। পিটার পার্কারের মূল দ্বন্দ্ব ছিল তার নিজের মধ্যেই। কিন্তু এই বছর মুক্তি পাওয়া ‘অ্যামেজিং স্পাইডার ম্যান ২’-তে এই অন্তর্গত দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে এই সিনেমাতে। স্পাইডার ম্যান হওয়াতে অথবা অন্য সবার চেয়ে অন্যরকম হওয়াতে নিজের মধ্যে কোন ধরনের দ্বন্দ্ব দেখা যায় না তার মধ্যে। বরং সে বুঝতে পারে তার আসল যুদ্ধ শুরু হতে যাচ্ছে। শুধুমাত্র সেই পারবে নিউইয়র্কবাসীকে ভিলেনের হাত থেকে বাঁচাতে। তার পুরোনো বন্ধু হ্যারি অসবর্ণও ফেরত এসেছে এবার। মুভিটির পরিচালক মার্ক ওয়েব। স্পাইডার-ম্যানের ভূমিকায় আছেন অ্যান্ড্রু গারফিল্ড। চমত্কার কিছু অ্যাকশন দেখতে চাইলে এখনই দেখে ফেলুন এই মুভিটি। ০০০০০০০০০০০০০ প ড়া র ব ই সাতকাহন আরও কিছু পড়তে পারেন  দূরবীন  গর্ভধারিণী  মানবজমিন  মানুষ মানুষ নারী স্বাধীনতার কথা তো আমরা সবাই বলি কিন্তু কয়জন স্বাধীনতার স্বাদটা পেয়েছি অথবা দিতে পেরেছি? প্রতিটা নারীই জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে অনেক কঠিন সময় পার করে যা সন্দেহাতীতভাবেই পুরুষের চাইতে বহুগুণে বেশি। আর যদি সে হয়ে থাকে বর্ণবৈষম্যের বেড়াজালে আবদ্ধ কেউ তাহলে তো আর কথাই নেই। এ রকমই একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন সমরেশ মজুমদার তার সাতকাহন বইটিতে। সম্পূর্ণ গল্প আবর্তিত হয়েছে দীপাবলি নামক একটি মেয়েকে ঘিরে। কীভাবে সংস্কারে জরাজীর্ণ একটি সমাজে বড় হয়ে ওঠে দীপাবলি। মাত্র ১১-১২ বছর বয়সে দুনিয়ার কোনোরকমের জটিলতা বোঝার আগেই তার বিয়ে হয়ে যায় এবং এই বিয়ের মেয়াদকাল ছিল মাত্র এক রাত। বিয়ের একরাতের মধ্যেই বিধবা হয় দীপা। তারপর থেকে শুরু হয় তার সংগ্রাম। যদিও পড়ালেখা চালু রাখার কোনো সম্ভাবনা হয়তো ছিল না কিন্তু তারপরও অন্যদের চেয়ে নিজেকে অনেক বেশি শিক্ষিত করে তোলে দীপা। জীবনে অনেক ক্ষেত্রে অনেক ভালবাসার আহ্বান পেয়েছিল কিন্তু নিজের স্বাধীনতা হারানোর ভয়ে কোনো সম্পর্কে জড়ায়নি নিজেকে। অনেকদিন পর অলোক নামের একজনকে ভালোবেসে বিয়ে করলেও তার সকল আদর্শ ধীরে ধীরে একপাশে সরে দাঁড়ায়। নিজের আদর্শ টিকিয়ে রাখতে আবারও একা থাকার পথ বেছে নিতে হয় তাকে। নিজের ভেতরের আমিত্বকে অনুভব করতে চাইলে পরে ফেলুন বইটি। বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ ক্লাসিক এটি। ০০০০০০০০০০০০০০০ শো না র গা ন মেটালিকা আরও কিছু শোনার গান  সেকেন্ড সিটি :আই ওয়ানা ফিল  স্টে উইদ মি :স্যাম স্মিথ একটি আমেরিকান হেভি মেটাল ব্যান্ড যা ১৯৮১ সালে লস অ্যাঞ্জেলস, ক্যালিফোর্নিয়াতে গঠিত হয়। ড্রামার লারস উলরিচ উদ্যোগে ব্যান্ডটি গঠিত হয়। ব্যান্ডটির প্রাথমিক লাইন-আপ ছিল ড্রামসে লারস উলরিখ, রিদম গিটার ও ভোকালে জেমস হেটফিল্ড, লিড গিটারে কারক হ্যামেট এবং বেজ গিটারিস্ট ছিলেন পরলোকগত ক্লিফ বারটন। পরবর্তীতে বেজ গিটারিস্ট বারবার পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে আছেন রবার্ট ট্রুজিলো। তাদের অ্যালবামগুলো হলো—কিল অ্যাম অল (১৯৮৩), রাইড দ্য লাইটেনিং (১৯৮৪), মাস্টার অব পাপেট (১৯৮৬), অ্যান্ড জাস্টিস ফর অল (১৯৮৮), মেটালিকা (১৯৯১), লোড (১৯৯৬), রিলোড (১৯৯৭), সেইন্ট অ্যাঙ্গার (২০০৩), ডেথ ম্যাগনেটিক (২০০৮)। মেটাল গানের ভক্তরা চাইলেই শুনতে পারেন গানগুলো।