কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহারের ভাতিজা ও বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা গার্ড বাংলাদেশের পরিচালক আহসান হাবিব সুমু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সালেহ আহমেদ রাসেলকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২৫ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড় ভাই হাবিবুছ সায়েরীন বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মামলাটি দায়ের করেন।
জানা যায়, নগরীর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ করে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় এমপির অনুসারী ছাত্রলীগের দুইগ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া থামাতে গিয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা এমপির চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সুমু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছেন- রিপন, ফাহিম, ছোট শাকিল, জাকির, খোকন, শাকিল, শাহপরান, সাইফুল, জনি প্রকাশ চিকা, আলাউদ্দিন, ফাহমিদ, ফয়সাল, আশিক, শিপু। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. খোরশেদ আলম জানান, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের দুইটি টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। বৃহস্পতিবার ঘটনায় ঢাকার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র ছাত্র প্রিতম চক্রবর্তী ও রনি নামের ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের অবস্থা আশংকাজনক। বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর মুন্সেফবাড়ি এলাকায় নামাজে জানাজা শেষে সুমুকে টমছমব্রীজ কবরস্থানে দাফন করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত যেই হোক তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে। এমপি বাহাউদ্দিন বাহার সাংবাদিকদের জানান, আসামিদের কেউ আইনের হাত থেকে পার পাবে না।
