অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত দফতর করছে না মোদীর সরকার

আপডেট : ০১ জুন ২০১৪, ২৩:০৮
অনুপ্রবেশ নিয়ে নতুন কোনো দপ্তর নয়, হচ্ছে আলাদা একটি সেল। ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দপ্তরের অধীনে সেলটি কাজ করবে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তর থেকে। পাশাপাশি ভারতের কোন জেলে কতজন বাংলাদেশের সন্ত্রাসী রয়েছে তার তালিকাও তৈরি করা হবে। এমনটাই ঠিক হয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম বৈঠকে। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েই এবিষয়ে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৈঠকে ঠিক হয়েছে বাংলাদেশসহ ভারতের অন্য সীমান্তে অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতি মাসে সেলটি তথ্য নেবে। বিষয়গুলো যাচাই করার পর তা জমা দেয়া হবে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক দপ্তরে। পাশাপাশি ভারতের কোন জেলে কতজন বাংলাদেশী বন্দী রয়েছে, অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে কতজন বাংলাদেশের নাগরিক জেলে রয়েছেন তারও তালিকা হবে। তারপর বিষয়টি অবহিত করা হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দপ্তরে। পরবর্তীতে বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জানানো হবে বাংলাদেশ সরকারকে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন মোদী। বলেছিলেন, ১৬ মে’র পর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। বিজেপিও এই ইস্যু তুলেছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশের তরফেও বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসীদের ভারতে আশ্রয় পাওয়ার বিষয়ে। বিভিন্ন সময়ে কলকাতায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, তানভির ইসলাম জয় গ্রেফতার হলেও ভারতে তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ না থাকায় সহজেই তারা জামিন পেয়ে গেছে। বাংলাদেশের বাইরে থেকেও চালিয়ে গেছে চাঁদাবাজি। ঠিক হয়েছে এখন থেকে ভারতে জেলবন্দি সব বাংলাদেশির বিষয়েই তথ্য চাইবে ভারত। বাংলাদেশে কারো বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রমের অভিযোগ থাকলে তার জামিনের বিরোধিতা করা হবে। জেলবন্দি কোনো বাংলাদেশের সন্ত্রাসী থাকলে তার বিষয়ে জানানো হবে বাংলাদেশ সরকারকে। উদ্যোগ নেয়া হবে তাদেরকে ফেরত পাঠানোর। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলে ৬ হাজারেরও বেশি মেয়াদোত্তীর্ণ বন্দী রয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর, তাদের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা বলা হবে।