যশোর বোর্ডের কলেজে ১ লাখ ২৩ হাজার সিট শূন্য থাকবে

আপডেট : ০১ জুন ২০১৪, ২৩:০৯
যশোর বোর্ডে এসএসসিতে রেকর্ডসংখ্যক ছাত্রছাত্রী পাস করলেও চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০১৪-২০১৫) বোর্ডের অধীন খুলনা বিভাগের কলেজগুলোতে এক লাখ ২৩ হাজার আসন শূন্য থাকবে। গ্রামাঞ্চলের কলেজগুলোতে ছাত্রছাত্রীর অভাব বেশি হবে। যশোর বোর্ডের সূত্রে জানা যায়, যশোর বোর্ডের অধীন কলেজের সংখ্যা ৫৫৫। এর মধ্যে সরকারি কলেজ ৪০টি। বাকি ৫১৫টি বেসরকারি কলেজ। বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আমিরুল আলম খান জানান, কলেজগুলোতে বিজ্ঞান বিভাগে ৬৪ হাজার ৫শ’, মানবিক বিভাগে ৮২ হাজার ২৫০ এবং বাণিজ্য বিভাগে ৮৩ হাজার ২৫০ আসন বরাদ্দ আছে। কোন কলেজ বরাদ্দের বেশি চাইলেও দেয়া হবে। তিনি জানান, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ৮শ’ এবং খুলনার একটি কলেজকে ১২শ’ আসন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সাধারণ কলেজগুলোতে প্রতি বিভাগে দেড়শ’ করে সাড়ে ৪শ’ আসন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যশোর বোর্ডে এবার এসএসসিতে এক লাখ ১৯ হাজার ছাত্রছাত্রী পাস করেছে। এরমধ্যে শতকরা ১০ ভাগ ছাত্রছাত্রী ঝরে যাবে অথবা পলিটেকনিকে ভর্তি হবে। এ কারণে এক লাখ ৭ হাজার ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী মিলবে। সামপ্রতিককালে বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রছাত্রীর ভর্তির সংখ্যা একবারেই কমে গেছে। গ্রামাঞ্চলের কলেজগুলোতে ৩-৪ জন ছাত্র বিজ্ঞানে ভর্তি হয়। বাণিজ্য বিভাগে ছাত্রছাত্রী বেশি ভর্তি হয়। গ্রামের কলেজে শিক্ষকগণ নিজ নিজ কলেজে ভর্তির জন্য ছাত্রছাত্রীর বাড়িতে পর্যন্ত ধর্ণা দিচ্ছেন। নানা সুযোগ-সুবিধার আশ্বাস দিচ্ছেন। আবার উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কলেজেও আসন শূন্য থাকবে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি কলেজ, হরিণাকুন্ডু সরকারি লালন শাহ্ কলেজ, কোটচাদপুর সরকারি মোশারফ হোসেন কলেজ, মহেশপুর সরকারি কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়ার আমলা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরার কলারোয়া সরকারি কলেজ, তালা সরকারি কলেজ ও চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সরকারি কলেজে বিগত কয়েক বছর ধরে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে আসন ফাঁকা থাকছে। তবে খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া শহরের কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণীতে শিক্ষার্থীর ভিড় থাকবে।