ছেলেটির বয়স মাত্র চার বছর। কিন্তু কেউই তার ‘শিল্পজ্ঞানের’ প্রশংসা না করে পারবে না। কিন্তু শিল্পজ্ঞান সবসময় কাজে আসে না যদি ‘অনাকাঙ্খিত’ স্থানে শিল্পচর্চা করা হয়। ঘটনাটি খুলে বলা যাক। সম্প্রতি চীনের ভদ্রলোক তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ায় বেড়াতে। সেখানে ভদ্রলোকের শিশুপুত্র তার পাসপোর্টটি নিয়ে খেলতে থাকে। এক পর্যায়ে হাতের কাছে কলম পেয়ে সে আঁকিবুকি করার জন্য কিছু খুঁজতে থাকে। কিছু না পেয়ে বাবার পাসপোর্টেই শিল্পকর্ম শুরু করে দেয়। পাসপোর্টে বাবার ছবিতে সে টেনে টেনে গোফ দাঁড়ি বানায়। চোখ দুটো কালো করে দেয় এবং পেছনে কয়েকজন বন্ধুর ছবিও একে দেয়। মোটকথা ছবিতে ভদ্রলোককে আর চেনার কোনো উপায় ছিল না।
এবার দেশে ফেরার পালা। ভদ্রলোক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে পাসপোর্ট দিলেন। কিন্তু তারা সন্দেহের চোখে তাকালো। লোকটি ছেলের কান্ড খুলে বললেন। কিন্তু তারা পাসপোর্টের ছবি দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি যেতে যেতে ছেলের ‘শিল্পজ্ঞানের’ প্রশংসা করলেন। তবে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে বললেন, এই পাসপোর্ট নিয়ে তিনি বিমানবন্দর পার হতে পারবেন না। কারণ গোটা পাসপোর্ট এবং তার ছবি বিকৃত হয়ে চেনার অযোগ্য হয়ে গেছে। অবশেষে কোরিয়াতেই আটকে পড়তে হলো তাদের। পুত্রের শিল্পজ্ঞানের প্রশংসা পাওয়া গেল, কিন্তু ফল পাওয়া গেল না। - ইউএসওয়েবডেইলি
