টেকেরহাটে দুই খুনের ঘটনায় একজন গ্রেফতার

আপডেট : ০১ জুন ২০১৪, ২৩:১০
শনিবার রাতে টেকেরহাটে দুষ্কৃতকারীর গুলি ও ছুরিকাঘাতে টেকেরহাট আলিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক আবুল বাসার (৫৫) ও অজ্ঞাত এক যুবক (২২) নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ মহাসীন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। মোবাইলের সূত্র ধরে রবিবার নিহত অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় মিলেছে। সে মধুখালী উপজেলার রাইদা গ্রামের কাওছার মোল্লার ছেলে বিল্লাল মোল্লা। তবে সে খুনি দলের একজন বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। পুলিশসহ অন্যদের ধারণা, সাক্ষী না রাখতেই মূল খুনি তার সহযোগী বিল্লাল মোল্লাকেও হত্যা করে পালিয়ে যায়। রবিবার নিহত আবুল বাসারের ভাই আবু বকর মুন্সী বাদী হয়ে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন খোন্দকারকে প্রধান আসামি করে রাজৈর থানায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ও নিহতের স্ত্রী শাহীনুর বেগম জানান, শাহিন খোন্দকার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি দেলোয়ার কাজী একসময়ে একসাথে ছিল। দুইজনের মধ্যে মতবিরোধ ঘটায় তারা আলাদা হয়ে যায়। এক পর্যায়ে জামায়াত নেতা আবুল বাসার দেলোয়ার কাজীর হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগ দেয় এবং দেলোয়ার কাজীর হাত শক্ত করে। রাজৈর থানা পুলিশ শনিবার রাতেই ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি পিস্তল, একটি চাপাতি উদ্ধার করে। নিহত আবুল বাসারের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের শালথা থানার বড় বল্লভদী গ্রামে। সে চাকরির সুবাদে সস্ত্রীক টেকেরহাটে বসবাস করতো। সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, মাওলানা আবুল বাশার সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় বড় বল্লভদী গ্রামের ১০টি বাড়িতে ব্যাপক হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে নিহত মাওলানা বাশারের লোকজন এ হামলা চালায়। এ সময় ইউপি সদস্য আইব মোল্লার বাড়িসহ ১০ বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে ঘরে থাকা মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায় উত্তেজিত জনতা। সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।