চলে এলেন হিথ স্ট্রিক

আপডেট : ০২ জুন ২০১৪, ২১:৪০
প্রথমে শোনা গিয়েছিল, ৬ তারিখে আসবেন তিনি। কিন্তু সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল না। গতকালই ঢাকায় পা রেখে ফেললেন বাংলাদেশের নতুন বোলিং কোচ, জিম্বাবুয়ের সাবেক তারকা হিথ স্ট্রিক। অবশ্য প্রথম পদার্পণে নিজের লক্ষ্য বা কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে তেমন কিছুই বললেন না। লম্বা বিমানযাত্রার ধকলে ভুগতে থাকা এই সাবেক ফাস্ট বোলার শুধু বললেন, নতুন ভূমিকায় বাংলাদেশে ফিরতে পেরে তিনি উচ্ছ্বসিত। বাকিটা সময়ের হাতে তুলে রাখলেন। বাংলাদেশে স্ট্রিকের আগমন এই প্রথম নয়। খেলোয়াড় হিসেবে এসেছেন, এসেছেন জিম্বাবুয়ে দলের কোচিং টিমের অংশ হিসেবেও। তাই এই দেশের আবহাওয়া, উইকেট সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা তার আছে। সেটাই কাজে লাগানোর কথা বললেন প্রথম দর্শনে, ‘বাংলাদেশে আগেও এসেছি। আবার আসতে পেরে ভালো লাগছে। এবারের চ্যালেঞ্জটা আমাকে খুবই রোমাঞ্চিত করেছে।’ হিত স্ট্রিকের চ্যালেঞ্জটা অবশ্য কঠিনই হতে যাচ্ছে। পেস বোলিংয়ে চিরকালই দুর্বলতায় ভোগা বাংলাদেশ দলকে তারা অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের পেস বোলিং কন্ডিশনে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। সে জন্য সময় পাবেন তিনি দুই বছরে ৪৫০ দিন। এই ব্যাপারটা আগেই নিশ্চিত করেছিলেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। চুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, ‘দুই বছরের জন্যে উনি কন্ট্রাকটেড হয়েছেন। দুই বছরের মধ্যে ৪৫০ দিন উনি আমাদের সাথে কাজ করবেন। ফলে মোটামুটি প্রতিটা সিরিজের সাথে উনি আমাদের সাথে থাকবেন।’ জিম্বাবুয়ের সোনালী প্রজন্মের তারকা হিথ স্ট্রিক ছিলেন বাংলাদেশসহ বেশিরভাগ দেশের ব্যাটসম্যানদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। বর্ণবাদী সমস্যায় জিম্বাবুয়ের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক ক্রিকেটার দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর এই হিথ স্ট্রিকের কাঁধে পড়েছিল জিম্বাবুয়ের অধিনায়কত্ব সামলানোর দায়িত্ব। একদফা ফর্মহীনতার কারণে দায়িত্ব ছেড়ে ফিরে আসলেও রাজনীতির কাছে তাকেও মাথা নোয়াতে হয়েছিল। নানামুখি অসন্তোষ নিয়ে ছেড়েছিলেন জাতীয় দল। এর আগেই অবশ্য জিম্বাবুয়ের ইতিহাস গড়ে গেছেন। ৬৫ টেস্টে ২১৬ উইকেট এবং ১৮৯ ওয়ানডেতে ২৩৯ উইকেট নিয়েছেন। পাশাপাশি টেস্টে ১৯৯০ এবং ওয়ানডেতে ২৯৪৩ রান করে নিজেকে কার্যকর অলরাউন্ডার হিসেবেই উপস্থাপন করেছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষেও টি টেস্ট ও ১০টি ওয়ানডে খেলেছেন।