‘ঠিক পথেই আছে বেলজিয়াম’

আপডেট : ০২ জুন ২০১৪, ২১:৪৩
লুক্সেমবার্গের পর এবার শক্তিশালী সুইডেনের বিরুদ্ধেও সহজ জয় নিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিটা ভালভাবেই সেরে নিলো বেলজিয়াম। আর গত রবিবার রাতে ২-০ গোলে সুইডেনকে হারানোর পর বেলজিয়াম অধিনায়ক ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেছেন, ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ দারুণ কিছু উপহার দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত তার দল। জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের উন্নত প্রায় প্রতিটি দেশের বড় বড় বাজিকর প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজিতে এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট হিসাবেই উঠে এসেছে বেলজিয়ামের নাম। তবে তাতে মোটেই অবাক হবার কিছু নেই। কারণ, ক্লাব প্রতিযোগিতার সর্বশেষ মৌসুমে ইউরোপের প্রায় প্রতিটি লিগেই সেরা খেলোয়াড়দের তালিকায় ছিল বেলজিয়ানদেরই প্রাধান্য। প্রথম দেশ হিসাবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের বাধা পেরোনো দলটি এবার মাঠের পরীক্ষায়ও প্রমাণ দিচ্ছে ফেভারিটের। রোমেলো লুকাকুর দুর্দান্ত প্রথম গোলের পর আরেক চেলসি তারকা ইডেন হ্যাজার্ডের লক্ষ্যভেদে সুইডেনকে সহজেই হারিয়েছে তারা। আক্রমণ সাফল্যের পাশাপাশি ম্যাচে বেলজিয়ানদের জমাট রক্ষণও নজর কেড়েছে সবার। বিশেষ করে নজর কেড়েছেন কোম্পানি। ব্যক্তিগত এবং দলীয় সাফল্যে দারুণ উচ্ছ্বসিত ম্যানচেস্টার সিটি অধিনায়ক ম্যাচ শেষে জানালেন তার সন্তোষের কথা। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এই মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জেতা এই তারকা বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আমরা সবাইকে দেখাতে পেরেছি যে প্রতিটি জায়গায় নিখুঁত একজন লোক রয়েছে আমাদের। প্রস্তুতি ভাল চলছে। আমরা যে প্রস্তুতিতে কোন ফাঁকা রাখিনি সেটা সবাই বুঝবে এখন। তাছাড়া বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচের আগে (আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে) আমাদের হাতে এখনও দুই সপ্তাহ সময় রয়েছে।’ বেলজিয়ামকে এমন অপ্রতিরোধ্য রূপ দিতে নি:সন্দেহে বড় ভূমিকা পালন করছে লুকাকুর ফর্ম। আগের ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের দেখা পাওয়া এই তারকা এই ম্যাচেও পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। তবে কেবল লুকাকু নয়, কোম্পানি বড় করে দেখতে চাইলেন দলীয় সমঝোতার কথা, ‘আমি এই জয়ে দারুণ খুশি। আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং তার ফল এখন পাওয়া যাচ্ছে। এটা বিশ্বকাপে দারুণ আত্মবিশ্বাসী এক বেলজিয়ামকে দেখতে সাহায্য করবে।’ আর নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে এই রক্ষণ সৈনিক বলেন, ‘সবাই নিজ নিজ কাজটা ঠিকভাবে পালন করছে। এখন আমার কাজ হচ্ছে এটা ধরে রাখতে তাদের সাহায্য করা।’ ম্যাচের ৩৪ মিনিটে লুকাকু দলকে এগিয়ে নেয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকে দ্বিতীয় গোল পায় তারা। ৭৮ মিনিটে গোল করেন ক্লাব কোচ হোসে মরিনহোর সঙ্গে মৌসুমের শেষদিকে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া হ্যাজার্ড। চোট কাটিয়ে এখনও হ্যাজার্ড পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি, সমালোচকদের এমন ধারণাকে ভুল প্রমাণ করতে পেরে দারুণ খুশি এই স্ট্রাইকারকে অবশ্য গোলের পর পরই তুলে নেন কোচ মার্ক উইলমর্ট। গোল ডট কম অবলম্বনে।