চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ইউএসটিসি) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত হচ্ছে। ১৯৯৮ সালে একটি সার্ভিস রুল প্রণয়ন করা হলেও এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। বেতন কাঠামো অমানবিক ও অসম্মানজনক। কর্তৃপক্ষ স্বেচ্ছারিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-চিকিত্সক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতারা একথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, ইউএসটিসিতে মাসিক বেতন ছাড়া কোন পেনশন, গ্র্যাচুয়িটি বা অন্য কোন সুযোগ-সুবিধা নেই। সরকার জুলাই ২০১৩ থেকে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করলেও এখনো তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। মাতৃত্বকালীন ৬ মাসের ছুটি দেয়ার নিয়ম থাকলেও এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল যাদের চাকরির বয়স তিন বছরের বেশি তাদের ৩ মাসের ছুটি দেয়া হচ্ছে। অন্যদের বেলায় ছুটিকালীন বেতন দেয়া হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান কমিটি, শিক্ষক নিয়োগ কমিটি, শৃঙ্খলা কমিটি থাকার কথা। কাগজে-কলমে এসব কমিটি থাকলেও বাস্তবে কোন কার্যক্রম নেই। ইউএসটিসিতে বিদ্যমান অচলাবস্থা নিরসনের জন্য ৭টি দাবি উত্থাপন করে তা মেনে নেয়ার আহ্বান করেন বক্তারা। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. কামাল উদ্দিন, সাবেক উপ-উপাচার্য ডা. এ এইচ এম ইছহাক চৌধুরী, ডা. কাজী রফিকুল হক প্রমুখ।
