সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ ঘোষণা

আপডেট : ০৫ জুন ২০১৪, ২৩:১৫
সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছাত্রদল নেতা তাওহীদুল ইসলামের প্রথম নামাজে জানাজা বৃহসপতিবার সকালে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ক্যামপাসে অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত সমপন্ন হয়। ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. তন্ময় ভট্টাচার্য জানান, সকালে মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মিজানুর রহমান ও ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. মোর্শেদ আহমদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রদল নেতা তাওহীদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এক সপ্তাহের জন্য ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৫ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মোশাররফ হোসেন। বৃহসপতিবার ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পুলিশ জানায়, তাওহীদের লাশ শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার গোপালপুর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের ইবনে সিনা ছাত্রাবাসে খুন হন ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের ৪৯ তম ব্যাচের ছাত্র তাওহীদুল ইসলাম। ছাত্রদল এ ঘটনার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে। বুধবার রাতে ছাত্রদলকর্মী তাওহীদ হত্যাকাণ্ডের পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ক্যামপাস। গতকাল দুপুরে কলেজ বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রদলের আপ্যায়ন সমপাদক তাওহীদুল ইসলাম হত্যার বিচারের দাবিতে গতকাল বিকালে মিছিল বের হলে ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। বিএনপির অভিযোগ, বুধবার রাতে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রদলের আপ্যায়ন সমপাদক তৌহিদুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে পিটায় ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। পরে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার প্রতিবাদে বৃহসপতিবার বিকালে কোর্ট পয়েন্টে সমাবেশ শুরু করে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি।