২০১৮ সালের মধ্যে দেশ থেকে অতি দারিদ্র্য দূরীকরণে প্রস্তাবিত বাজেটে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দারিদ্র্য হ্রাসে এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, সরকারের অর্জিত সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১০ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসবে।
দ্রুততার সঙ্গে দারিদ্র্য দূর করতে আমরা লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণ করবো। এজন্য তিনটি পৃথক সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উপকারভোগী, পপুলেশন রেজিস্ট্রার ও অতিদরিদ্রদের তালিকা করা হবে। ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সক্ষম করে তোলা হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সামাজিকভাবে অবহেলিত জনগোষ্ঠীর আবাসিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসন তৈরির কাজ চলমান আছে। দরিদ্র বঞ্চিত, অবহেলিত ও পরিত্যক্ত গোষ্ঠীগুলোর জন্য সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে আবাসনসহ উপযুক্ত কার্যক্রম শুরু করতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা চার লাখ ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০ হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নিউরো ডেভ্লপমেন্টাল প্রতিবন্ধীদের জন্য গঠিত ট্রাস্টে ২০ কোটি টাকা ও শারীরিক প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে ৫ কোটি টাকার তহবিল দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।
