বুধবার রাতে বগুড়ায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াকালে ককটেল বিস্ফোরণে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের ৭ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের ৪১ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মোট ১৯১ জনকে আসামি করা হয়েছে। সদর থানার উপ-পরিদর্শক আসলাম হোসেন বাদি হয়ে বুধবার মধ্যরাতে সদর থানায় মামলাটি করেন। এরপরপরই রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পুরান বগুড়া ও জহুরুল নগর এলাকার চারটি ছাত্রাবাস থেকে ছাত্রলীগের ১২ কর্মীকে গ্রেফতার করে।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আব্দুস ছাত্তার ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার চৌধুরী, ছাত্রলীগের সরকারি আযিযুল হক কলেজ কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান মন্টি, সাধারণ সম্পাদক আসলাম হোসেন, বিদ্রোহী কমিটির আহ্বায়ক বেনজীর আহম্মেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান ও অসীম কুমার রায়।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, বুধবার সন্ধ্যার পর সদর থানার ওসি ফয়জুর রহমান ও পুলিশ পরিদর্শক নূরে আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে ছাত্রলীগের দুই পক্ষই মারমুখী অবস্থায় পুলিশের দুই পাশে অবস্থান করছিলো। হঠাত্ তারা একপক্ষ অপরপক্ষকে ধাওয়া করার উদ্যোগ নিলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এসময় তারা পুলিশের ওপরে ককটেল হামলা চালায়। এতে সদর থানার ওসি, পুলিশ পরিদর্শক, একজন এএসআই ও ৪ জন পুলিশ কনস্টেবল আহত হন।
