পিপিপির ৩৩ প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগ

আপডেট : ০৬ জুন ২০১৪, ২১:০১
কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হলেও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) খাতে রাখা হয়েছে ৩৪টি প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ১ হাজার ১১৩ কোটি মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হবে। অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদকে জানান, পিপিপির মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য ৩৪টি প্রকল্প নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টির পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপই প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ। পিপিপি বিষয়ক আইন জাতীয় সংসদে অবিলম্বে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। পিপিপির অধীনে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে ব্যয় হবে ১২০ কোটি ডলার। ঢাকার কিডনি হাসপাতালে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন প্রকল্পে ব্যয় হবে ১০ লাখ ডলার। শান্তিনগর-মাওয়া ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হবে ৩০ কোটি ডলার। রেলখাতে বঙ্গবন্ধু ব্রিজে ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণে ব্যয় হবে ১০০ কোটি ডলার। এছাড়া ১২০ কোটি ডলারে তৃতীয় সমুদ্রবন্দর নির্মাণসহ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। অবশ্য বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা পিপিপি খাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে আসছে না বলে সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, কক্সবাজার জেলার সোনাদিয়ায় পিপিপির আওতায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছিল। বেসরকারি খাত থেকে এ বিষয়ে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় প্রকল্পটি গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট (জিটুজি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পিপিপি খাতে অগ্রগতির খতিয়ান তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, খসড়া পিপিপি আইন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে পিপিপি প্রজেক্ট স্ক্রিনিং ম্যানুয়াল, টেন্ডার প্রসেসিং ম্যানুয়াল তৈরির কাজ। সড়ক, স্বাস্থ্য, আইসিটি, গৃহায়ন, নৌ-পরিবহন ও রেলওয়ে সেক্টরে ১০টির বেশি পিপিপি প্রকল্প প্রাথমিক অনুমোদন শেষে বাস্তবায়নের কাজ চলছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।