হোটেল ম্যানেজার :স্যার, আপনাকে কি সকালে ঘুম থেকে ডেকে দিতে হবে?
বোর্ডার :না, তার কোনো দরকার হবে না। আমার এমনিতেই সকাল ছয়টায় ঘুম ভেঙে যায়।
হোটেল ম্যানেজার :তাহলে যদি কিছু মনে না করেন তাহলে আপনি কি আমাদের বয়টাকে সকাল ছয়টার দিকে একটা কল করতে পারবেন। ছেলেটা এতোটাই ঘুমকাতুরে যে প্রায় দিনই অন্য বোর্ডারদের প্রয়োজনীয় সময় ঘুম থেকে ওঠাতে পারে না।
প্রথম বন্ধু :জানিস কাল আমাদের লাইব্রেরিতে একটা ভয়ংকর ঘটনা ঘটেছে।
দ্বিতীয় বন্ধু :বলিস কি? কী হয়েছিল?
প্রথম বন্ধু :আরে আমি আর বিল্টু যখন লাইব্রেরির এক কোনায় বসে পড়ছিলাম তখনই বিল্টু ডিনামাইট খুঁজে পেল?
দ্বিতীয় বন্ধু :লাইব্রেরিতে ডিনামাইট? চাপাবাজি করিস না। কোথায় পেলি?
প্রথম বন্ধু :কোথায় আবার। বানান দেখতে গিয়ে ডিকশনারির ‘ডি’ এর চ্যাপ্টারেই তো ডিনামাইটের দেখা পেলাম!
ট্রেন আস্তে আস্তে চলতে শুরু করলে একজন গ্রাম্য লোক লাফিয়ে তাতে উঠে পড়ল। উঠে দেখল কামরাটা প্রথম শ্রেণীর। সাহেবি পোশাক পরা এক ভদ্রলোক কামরার একমাত্র যাত্রী। গ্রাম্য লোকটি বলল, পরের স্টেশনেই আমি নেমে যাব, স্যার।
:এত কুণ্ঠিত হচ্ছ কেন তুমি। এস গল্প করা যাক।
:আমি কিই-বা জানি আর কিই বা-বুঝি। জানি শুধু কয়েকটা ধাঁধা।
:তা হলে এস একটা বাজি হয়ে যাক। তুমি ধাঁধা বলবে আমি উত্তর দেব, তারপর আমি একটা বলল, তুমি উত্তর দিবে। তুমি অশিক্ষিত, তাই তুমি জবাব দিতে না পারলে আমাকে পাঁচ টাকা দেবে আর আমি না পারলে দেব দশ টাকা।
:ঠিক আছে স্যার, একদান খেলে দেখা যাক। বলুন তো স্যার, কোন প্রাণীর তিনটি পা আছে এবং আকাশে উড়তে পারে?
সাহেব লোকটাকে দশ টাকা দিয়ে বললেন, পারছি না। তুমি বল তে কোন প্রাণী। লোকটা সাহেবের দেওয়া দশ টাকা পাঁচ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে বলল, আমিও পারি না, স্যার!
