ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও সনদ জালিয়াতি

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৪, ২১:২০
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, গত ৫ বছরে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ ১১হাজার ১৫০জন মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন। আর অবসরের মেয়াদ বাড়ানোর পর ২১হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি সনদ প্রত্যয়নের জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৭হাজার সনদে গরমিল পাওয়া গেছে। তাছাড়া গরমিল পাওয়া গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরো ১হাজার ৬৬৮ জনের সনদে। সম্প্রতি মাদারীপুর জেলার এমন একজন আলোচনার বিষয় হয়েছেন- এসএসসির সনদ অনুযায়ী যাঁর জন্ম ১৯৭৮ সালে। অথচ তিনি পুলিশে চাকরি নিয়েছেন ১৯৭৭ সালে। অর্থাত্ জন্মের ১ বছর আগে। এদিকে তিনি ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়ে চাকরির মেয়াদ আরো ১ বছর বাড়িয়েও নিয়েছেন। কথা হচ্ছে তারা এ মুক্তিযোদ্ধা সনদ পায় কোথায়? তাদেরকে এ কাজে কারা সহযোগিতা করে? নিশ্চয়ই সনদ বাণিজ্য চলে। তাই তদন্ত পূর্বক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও সনদ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। মো. আলাউদ্দিন মজুমদার, চৌমুহনী, নোয়াখালী