সাতছড়িতে জোরদার হচ্ছে র্যাবের তল্লাশি

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৪, ২৩:০৫
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে তল্লাশি অভিযান আজ সোমবার থেকে জোরদার করছে র্যাব। এ জন্য অতিরিক্ত র্যাব সদস্যদের নিয়ে আসা হয়েছে। শুধু ‘টিপরা’ বস্তির পাশের পাহাড়েই নয়, আশপাশের পাহাড়গুলোতে তল্লাশি চলবে। পাশাপাশি গত ১০/১২ বছর আগে ‘টিপরা’ বস্তি ও আশপাশের এলাকায় যারা যাতায়াত করতেন তাদেরও একটি তালিকা করছে পুলিশ। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তত্কালীন জনপ্রতিনিধিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। কিভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ঐ এলাকায় আস্তানা গেড়েছে সে ব্যাপারে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর সঙ্গে কোন জনপ্রতিনিধির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকেও গ্রেফতার করা হতে পারে। জোরেশোরেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। র্যাব-৯ এর শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানা শামীনুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, সোমবার থেকে আশপাশের পাহাড়গুলোতেও তল্লাশি চালানো হবে। এর জন্য অতিরিক্ত র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পাহাড় ছাড়াও আশপাশের সবগুলো পাহাড়ে চলবে র্যাবের এই তল্লাশী। চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অমূল্য কুমার চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় র্যাবের পক্ষ থেকে যে দু’টি মামলা করা হয়েছে তার তদন্ত জোরেশোরেই শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০/১২ বছর আগে কারা ‘টিপরা’ বস্তিতে যাতায়াত করত তাদের তালিকা করা হচ্ছে। কোন জনপ্রতিনিধি তাদের শেল্টার দিলে তাকেও গ্রেফতার করা হবে। চুনারুঘাটের ৪ নম্বর পাইকপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াহেদ আলী গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, তিনি ২০১১ সালে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান হয়েছে। ২০০৩-০৪ সালে কি হয়েছে সে ব্যাপারে তিনি ভালো করে কিছু জানেন না। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অনেকেই তখন ভোটার হয়েছিল— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০০৭ সালের পর সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় নতুন করে ভোটার তালিকা হয়েছে। ঐ তালিকার সময় অবৈধ লোকজন তালিকা থেকে বাদ গেছে। এখন আর ওদের কেউ ভোটার নেই। তিনি বলেন, ঐ সময় কি ঘটেছিল তখনকার চেয়ারম্যানই বলতে পারবেন। এ ব্যাপারে তার কোন ধারণা নেই।