‘উন্নয়ন পরিকল্পনায় চাই জলবায়ু পরিবর্তনের ধারণা’

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৪, ২১:৫২
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জলবায়ু বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিএফ ইন্টারন্যাশনালের প্রিন্সিপাল জোয়ানে আর. পটার বলেছেন, শহরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনের ধারণা সম্পৃক্ত করতে হবে। অবকাঠামো ব্যবস্থা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না। সোমবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন উপলক্ষে ধানমন্ডিস্থ ইএমকে সেন্টারে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। ‘বিল্ডিং ক্লাইমেট চেঞ্জ রিজিলিয়েন্স ইন ডেভেলপিং সিটি’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের উপস্থাপনকালে তিনি বলেন, উন্নয়নশীল শহরগুলো অবকাঠামোগত সেবার উপর নির্ভরশীল। শক্তিশালী অর্থনীতি, পানি ও পনঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, দারিদ্র্য দূরীকরণ, বিদ্যুতের সরবরাহ, জনসাধারণের শারীরিক নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় এই অবকাঠামো ব্যবস্থা জরুরি। পটার বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ুর চাপ বাড়বে। তাই শহরের অবকাঠামোর পরিকল্পনা, নকশাসহ সর্বক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের ধারণা ও প্রভাবের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নয়তো জলবায়ু পরিবর্তনের এসব অবকাঠামোগত সেবা ভেঙ্গে পড়বে। তিনি ক্যারিবীয় অঞ্চলের ডমিনিকান রিপাবলিকের উদাহরণ টেনে বলেন, স্যান্টো ডমিনগো শহরে ১০ লাখেরও কম লোক বাস করে। পর্যটননির্ভর অপরিকল্পিত শহরটির দ্রুত উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে বন্যা, ঝড় ও অপরিকল্পিত বসতি বাড়ায় শহরটির উন্নয়ন উচ্চ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ডমিনগোর উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে পানি ও বর্জ্য অপসারণ, পানি ব্যবস্থাপনা ও সেতু নির্মাণের মতো বিষয়গুলোতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি তার গবেষণায় ডমিনিকান রিপাবলিক ছাড়াও মোজাম্বিকের এনকালা ও পেরুর পিউরা শহরের কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের বিষয়ে তার কোনো গবেষণা নেই বলে জানান।