স্পোর্টস রিপোর্টার
লাওস যাওয়ার আগে থাইল্যান্ডে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে এখন ব্যাংককে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সেখানে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের মধ্যে প্রথম খেলাটি আজ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিপক্ষ হচ্ছে থাই লিগের এয়ারফোর্স ইউনাইটেড এফসি। বাংলাদেশের সময় ৫টায় খেলা শুরু হবে। খেলা হবে এয়ার ফোর্স প্লেইং গ্রাউন্ডে। এই মাঠে জামাল ভুইয়ারা অনুশীলন করছেন।
জাতীয় দলের ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে থাইল্যান্ডে জানিয়েছেন খুব ভালো ম্যাচ হবে এটা। কারণ তাদের প্লেয়াররা খুব ভালো অবস্থায় রয়েছে। কোচ বলেন,‘এই ম্যাচে আমরা সব খেলোয়াড়কে নামিয়ে দেখে নেয়ার চেষ্টা করব।’ অধিনায়ক জামাল ভুইয়াও কোচের কণ্ঠে সুর মিলিয়ে বলেছেন তাদের এখন পর্যন্ত আমরা ভালো অনুশীলন করছি। আজ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এই কারণে যে, এই ম্যাচেই খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখে নেয়া যাবে। তাই সবাই চেষ্টা করবে সেরাটা দেয়ার।’
মার্চে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে জাতীয় ফুটবল শেষ প্রীতি ম্যাচটি খেলেছিল কম্বোডিয়ার মাঠে। এরপর আর জাতীয় দলের খেলা হয়নি। জাতীয় দলের খেলা না হলেও অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দলের খেলা হয়েছে। তবে যারা অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দলে খেলেন মূলত তারাই জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। বেশিরভাগই তাই। তারপরও পেছনের কথাটা ভুলে গিয়ে আবার নতুন করে জাতীয় দলকে দেখে নেয়ায় গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে। খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে দুর্ভাবনা থাকার কথা না। কারণ কোচ আগেই জানিয়ে গিয়েছিলেন প্রিমিয়ার লিগের খেলা চলছিল বলে খেলোয়াড়রাও খেলার মধ্যেই ছিলেন। এটা কোচের জন বড় প্রাপ্তি। তবে একাদশ নির্ধারণ করাটাই এখন কোচের বড় মাথাব্যথা। থাইল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেললে কোথায় কোথায় সমস্যা রয়েছে তা বের করা সহজ হয়ে যাবে তেমনি করণীয়টাও নির্ধারণ করা যায়। কোচ জেমি ডে সেটাই বলে গিয়েছেন ঢাকায়। থাইল্যান্ডে প্রস্তুতি চলছে জাতীয় দলের।
ঢাকা হতে যাওয়ার পর খেলোয়াড়রা পুরোদমে অনুশীলনে রয়েছেন। উইথ বল অনুশীলন, ফিটনেস ট্রেনিং, সুইমিং— সবই চলছে সেখানে। থাইল্যান্ডে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ ক্লাব দলের বিপক্ষে ১ জুন।
৬ জুন লাওসের বিপক্ষে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এই ম্যাচটা উতরে যেতে পারলে বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য পথটা ভালো হতে পারে। কারণ লাওসের বিপক্ষে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ের দুটি ম্যাচের উপর নির্ভর করছে ফুটবল ভাগ্য। প্রথম খেলায় লাওসের বিপক্ষে অন্ততপক্ষে ড্র করতে পারলে ১১ জুন ঢাকায় ফিরতি ম্যাচে আরেকটি সুযোগ থাকবে।
