‘তিব্বত ইস্যু চীন-ভারত সম্পর্কের ক্ষতি করবে’

আপডেট : ১০ জুন ২০১৪, ২১:৩৯
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একজন ‘বাস্তববাদী’ নেতা হিসাবে স্বাগত জানিয়েছে। তারা চীনের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন অংশীদারিত্বকে সাধুবাদ জানান। তবে এক্ষেত্রে সম্পর্কের এ নতুন দিগন্ত উন্মোচনে বড় বাধা তিব্বত। তারা জানান, এই ইস্যুটি চীন-ভারত সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বৃহত্ দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক এ সপ্তাহে হওয়ার কথা। সংবাদ মাধ্যমগুলোও এ নিয়ে ব্যাপক খবর প্রচার করছে। দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগসহ আরো কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এ লক্ষ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রীর কয়েকবার বেইজিং সফরের কথা রয়েছে। তবে সম্পর্কের এই নতুন গতিধারায় বাধা হিসাবে দেখা হচ্ছে তিব্বতকে। একজন ব্যক্তিকে এর মূল হিসাবে দেখা হচ্ছে। তিনি মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে সামনের কাতারেই ছিলেন। তিনি হচ্ছেন লবজাং সনগয়। তিব্বতের ভারতভিত্তিক নির্বাসিত সরকারের স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রী তিনি। সরকারি কোন অনুষ্ঠানে তাকে খুব কমই ডাকা হয়। এ আশঙ্কায় যে তিনি চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিতে উস্কানি দিতে পারেন। চীন তার নিন্দা জানিয়েছে। সেইসঙ্গে নিন্দা জানিয়েছে একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসাবে তিব্বতের ধর্মীয় নেতা দালাই লামাকেও। নরেন্দ্র মোদী শপথ অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে লবজাং বলেন, আমি ধারণা করেছিলাম যে, আমাকে হয়তো পিছনের কাতারেই বসতে হবে। কিন্তু দেখি না। আমাকে সামনেই বসতে সুযোগ দেয়া হলো। পত্রিকাটির খবরে বলা হয় এই ইস্যুটিই চীন-ভারত সম্পর্কে এক ভয়াবহ বাধা। প্রায় ২৫২১ মাইল ভারতের সঙ্গে চীনের সীমানা রয়েছে। চীন তিব্বতকে তাদের নিজের অংশ বলে দাবি করে আসছে। পক্ষান্তরে তিব্বত এ দাবিকে অগ্রাহ্য করে নিজেকে স্বতন্ত্র বলছে। মোদী ক্ষমতায় আসার পর বৃহত্ দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে কাজ শুরু হয়েছে। ভারতের কৌশলগত সম্পর্কের বিশ্লেষক সি রাজা মোহান বলেন, মূল বিষয় হচ্ছে আমরা চীনের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক দৃঢ় করতে চাই। তিনি বলেন, ভারতীয় সমাজে নির্বাসিত তিব্বতিদের বিষয়ে এখনও বেশ সমর্থন রয়েছে। —নিউইয়র্ক টাইমসের