বাজেটকে আরও গ্রামমুখী ও দরিদ্রবান্ধব করার দাবি

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৪, ২২:০৬
প্রস্তাবিত বাজেটকে আরও গ্রামমুখী ও দরিদ্রবান্ধব করার দাবিতে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি। একই সঙ্গে ৮ দফা দাবিতে তারা ২২ জুন দেশব্যাপী এই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজধানীর মুক্তি ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন রেজা বলেন, গ্রামীণ শ্রমজীবীদের জন্য গত বছর সামগ্রিক বরাদ্দ ছিল বাজেটের ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বছর তা ১৮ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রায় ৪৭ শতাংশ শ্রমজীবী কৃষিখাতে নিয়োজিত। গত বছর এখাতে বরাদ্দ ছিল বাজেটের মাত্র ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ বছর তা কমে হয়েছে ৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আট দফা দাবি জানিয়ে তারা বলেন, অবিলম্বে ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের জন্য পল্ল্লী রেশনিং চালু করে প্রতি কেজি চাল ও আটা ৫ টাকা, তেল ও ডাল ৩০ টাকা, চিনি ও কেরোসিন ১৫ টাকা দরে সরবরাহ করা। টিসিবিকে শক্তিশালী করে প্রত্যেক ইউনিয়নে ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করা। ‘খাইখালাসী আইন’ চালু করে এনজিও ঋণের জাল থেকে গরিব মানুষকে মুক্তি দেয়া, প্রস্তাবিত বাজেটে ক্ষেত মজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের জন্য পৃথক বরাদ্দ দেয়া, কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা স্কিম চালু করা, আবারও ১শ’ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি চালু, গ্রামীণ মজুরদের জন্য বিনা খরচে চিকিত্সা সেবা ও তাদের সন্তানদের বিনা খরচে শিক্ষার ব্যবস্থা করা, গ্রামে গ্রামে গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু এবং গ্রামীণ মজুরদের কর্মক্ষম সন্তানদের জন্য ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ ও সরকারি খরচে তাদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার দাবি জানায় সমিতি।