পুরুষের ফ্যাশন নিয়ে এখন এত আলাপ চললেও বাংলাদেশে পুরুষের ফ্যাশন ব্র্যান্ড নিয়ে মাতামাতি ৮০-র দশকের পর থেকে। দীর্ঘ সময় পরে, ট্রেন্ড ব্রেকার অনেক পোশাকের লেবেলের ভিড়ে বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে ২০০৬ সালে নাম লেখায় জেন্টল পার্ক। ব্র্যান্ডটি বয়সে অন্যান্যের চেয়ে নবীন হলেও মেনজ ফ্যাশনের অন্যতম ধারক ও বাহক হিসেবে চলছে কাণ্ডারীর বেশে। লক্ষ্য ছিল স্টাইলিশ সবার মন জয় করার। শুরুটা ২০০৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে। অল্প সময়েই বন্দর নগরীর তরুণতুর্কীদের মন জয় করতে সক্ষম হয় এই হাউস। সেই ভরসায় জেন্টল পার্ক ২০০৮-এ যাত্রা করে রাজধানীর উদ্দেশ্যে। বর্তমানে ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার, বগুড়া এবং খুলনাতে ২২টি শোরুম রয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৭ বছর পার করে একসাথে ৪টি ব্র্যান্ড আউটলেটের যুগপত্ উদ্বোধন এবং তরুণীদের জন্য নতুন ট্যাগ লাইন জেন্টল পার্ক ওমেন যাত্রা উপলক্ষে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য ফ্যাশন শোয়ের। যমুনা ফিউচার পার্কের ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে, পুরুষের পোশাকের পাশাপাশি মেয়েদের জন্যই নতুন ট্যাগ লাইন উন্মোচনের জন্য ব্র্যান্ডটির এ আয়োজন। যেখানে মেয়েদের জন্য নানা ডিজাইনের ইস্টার্ন ও ওয়েস্টার্ন পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে নানা রকমের এক্সেসরিজ। সামার ফ্যাশন শো শিরোনামে গত ৬ জুন, যমুনা ফিউচার পার্কে অনুষ্ঠিত জমকালো ফ্যাশন শোয়ের বৈচিত্র্যময় দ্যুতি বেড়েছিল র্যাম্প মডেলদের পদচারণায়। বর্ণিল আলোর বর্ণচ্ছটা, সংগীত আর গ্ল্যামারের সম্মিলনে পূর্ণতা পায় জেন্টল পার্কের এই আয়োজন। ফরমাল বা ক্যাজুয়াল আউটফিট, ফাংকি কিংবা আপকামিং সামার লুক সবকিছুই প্রদর্শিত হয়েছে এই ফ্যাশন শোতে। ধারাবাহিক বৈচিত্র্যের জন্য, জেন্টল পার্ক মানেই নতুন কিছু। জেন্টল পার্ক মানেই ট্রেন্ড সেটার এবং ট্রেন্ড ব্রেকার। তাই ব্র্যান্ডটি কেবল ফরমাল-ক্যাজুয়াল আর সিজনাল লুকের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে জেন্টল পার্ক এখন দিব্যি সরব ডিজাইন ওয়ার ও ফাঙ্কি লুকেও। আর সেই সাথে আছে ডেনিম ও এক্সেসরিজের কম্বিনেশন! এই ক্যাটওয়াকই জানান দিয়েছে জেন্টল পার্কের আপকামিং ট্রেন্ড ওয়ার্কের গভীরতাকে। উল্লেখ্য, উপস্থাপিকা পারিহা লিমার সঞ্চালনায়, সামার ফ্যাশন শোয়ের ইভেন্ট সমন্বয়কারী হিসেবে সহযোগিতা দেয় মিডিয়ামেইল টোয়োন্টিফোর।
