রমনা বটমূল বোমা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৩ জুন

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৪, ২২:১০
২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৩ জুন ফের দিন ধার্য হয়েছে। রায় লেখা সম্পন্ন না হওয়ায় সোমবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন এ দিন ধার্য করেন। গতকাল রায় ঘোষণা উপলক্ষে মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত ১৪ আসামির মধ্যে মুফতি আবদুল হান্নান, মাওলানা আকবর ওরফে হেলালউদ্দিন, শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা আ. রউফ, মাওলানা সাব্বির ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আরিফ হাসান সুমনকে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয়। পাঁচ আসামি মাওলানা মো. তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মুফতি শফিকুর রহমান ও মুফতি আবদুল হাই পলাতক। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি সরদার মো. জাহিদ হোসেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট টি এম আকবর, জাসিম উদ্দিন এবং ফারুক হোসেন মামলা পরিচালনা করেন। গত ৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি ইন্সপেক্টর আবু হেনা মো. ইউসুফের পুনঃসাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। গত বছরের ২৩ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তা আবু হেনা মো. ইউসুফকে আসামিদের পক্ষে প্রথম পর্যায়ে জেরা শেষ হয়। এ মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত ৮৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। নৃশংসতম এ বোমা হামলা মামলাটির তদন্তে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করা হয়। হামলার সাত বছর পরে ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর অধিকতর তদন্ত শেষে হুজি নেতা মুফতি আবদুল হা্ন্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে জঙ্গিদের বোমা হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় ৯ জন। হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় আরো একজন মারা যায়। ওইদিনই বাবুপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র বাদি হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। উল্লেখ্য, একই ঘটনায় একই আসামিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বিষ্ফোরক আইনের মামলার বিচার সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের নির্দেশ এখনও না পাওয়ায় বিচার কাজ থেমে আছে।