আরপিও ১৯ ধারার বৈধতা সংক্রান্ত রিটের রায় আজ

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৪, ২২:২২
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এমপি সংক্রান্ত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিট আবেদনের বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার রায় দেবে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি গ্রহণ করে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার রায় প্রদানের জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। জাতীয় পার্টির (জাপা) ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার আবদুস সালামের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আরপিও ১৯ ধারা কেন সংবিধানপরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। এই রুল শুনানির জন্য আদালত কয়েকজন অ্যামিকাসকিউরি নিয়োগ দেয়। এর মধ্যে সিনিয়র আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি অ্যামিকাসকিউরি হিসাবে আদালতে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়া এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম ও অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুরাদ রেজা, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ও রিটকারীর কৌঁসুলি ব্যারিস্টার হাসান এমএস আজিম শুনানি করেন। গতকাল বুধবার অ্যামিকাসকিউরি হিসেবে অ্যাডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম আদালতে বলেন, আরপিও ১৯ ধারা অসাংবিধানিক নয়। তবে যেভাবে ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তা নীতিগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। আরপিওতে ‘না’ ভোট-এর বিধান অন্তর্ভুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে হাইকোর্ট অভিমত দিতে পারে, তবে কোন নির্দেশনা দিতে পারে না। আরপিওতে ‘না’ ভোটের বিধান অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে সরকারকে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না—এই মর্মে গত ২৪ নভেম্বর রুল জারি করে হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শাহরিয়ার মজিদ ও রোকনউদ্দিন মো. ফারুকের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ রুল জারি করে। আরপিও’র ১৯ ধারা ও ‘না’ ভোট-এর বিধান প্রসঙ্গে জারিকৃত পৃথক দুটি রুলের ওপর একসঙ্গে অ্যামিকাসকিউরি ও উভয়পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি গ্রহণ করে রায় ঘোষণার জন্য আজ দিন ধার্য করেছে হাইকোর্ট।