বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বলছেন-আলোচনা বা সংলাপ করার আগে সরকারকে বৈধ বলতে হবে। আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্যেই প্রমাণ হয়েছে তারা অবৈধ। এরপরও সেই ‘অবৈধ’ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত বিএনপি। তবে সংলাপে বসার আগে বিষয়বস্তু ঠিক করে সমঝোতার মানসিকতা নিয়ে আসতে হবে।
গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি আয়োজিত ‘সারাদেশে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড:সংকটের আবর্তে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে ফখরুল এসব কথা বলেন। এনপিপি’র চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলুর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের মহাসচিব ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ইসলামিক পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মোবিন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।
চীনের সঙ্গে পদ্মা সেতু নির্মাণের চুক্তির সমালোচনা করে ফখরুল অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে সরকার চুরি করার ব্যবস্থা করেছে। মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া বিরোধী দলীয় নেত্রী না হলে শেখ হাসিনাও প্রধানমন্ত্রী নন। দেশের মানুষ অবিলম্বে একটি অর্থবহ নির্বাচন চায় দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জোর দিয়ে বলছি, বিএনপি সংলাপ চায়, সমঝোতার মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই।’
তিনি বলেন, তারা যদি নির্বাচন না দেয় তাহলে জনগণ মাঠে নামবে। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন ঘটিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অতীতেও বিরোধী দল ধ্বংসে নেতাকর্মীদের গুম, খুন ও মিথ্যা মামলার পথ বেছে নিয়েছে। শেখ মুজিবের তো হূদয় ছিল, এদের তাও নেই। এদের একটাই উদ্দেশ্য বিরোধী দলকে ধ্বংস করা।
