বিচারক নিয়োগ প্রশ্নে খালেদা জিয়ার দুটি রিট খারিজ

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৪, ২২:০৮
জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিচারক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দায়েরকৃত দুটি রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। গত ২৫ মে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ খালেদা জিয়ার দুটি রিট আবেদনের ওপর দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দিয়ে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়। ওই বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব রুল জারির পাশাপাশি মামলার বিচারকার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। তবে কনিষ্ঠ বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ দুটি রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন এই আবেদন দুটি নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চে পাঠান। গত দুই দিন এই আবেদনগুলোর ওপর শুনানি গ্রহণ করে আদালত। খালেদা জিয়ার পক্ষে এডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী ও রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল এডভোকেট মাহবুবে আলম শুনানি করেন। এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, এডভোকেট এম আসাদুজ্জামান, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, এ রায়ে আমরা হতাশ। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা উচিত। রিট আবেদনকারীর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। দুদক কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান বলেন, আগামী ৯ জুলাই এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। ওইদিন বিচারিক আদালতের সাক্ষ্য গ্রহণে আইনগত কোন বাধা নেই। প্রসঙ্গত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ নয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩। দুটি মামলায় বিচারক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১২ মে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন খালেদা জিয়া। এর আগে অভিযোগ গঠন আদেশ বাতিল চেয়ে খালেদা জিয়ার করা দুটি রিভিশন মামলা গত ২৩ এপ্রিল খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের আরেকটি ডিভিশন বেঞ্চ।