পাঁচ বছর আগে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পাওয়া মেধাবী ছাত্রী রত্না খাতুন এখন একাদশ শ্রেণীতে পড়ে। সে উপজেলার চরপাড়া গ্রামের দরিদ্র আকলিমা বেগম ও শফিকুল ইসলামের কন্যা। ২০০৯ সালে রত্না যখন ৭ম শ্রেণীতে পড়তো তখন তার দরিদ্র পিতা গ্রামের এক ছেলের সাথে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করে। মা আকলিমা বেগম একটি বেসরকারি সংস্থার সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি পরিচালিত পল্লী সমাজের সভাপ্রধান হওয়ায় বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন। তাই তিনি এ বিয়েতে রাজী ছিলেন না। কিন্তু আকলিমা বেগমের কথা কর্ণপাত না করে শফিকুল রত্নার বিয়ে দিতে ব্যাকুল হয়ে ওঠেন। আকলিমা তার স্বামীকে বাল্যবিয়ের কুফল ও আইন সম্পর্কে বুঝান। বিষয়টি বুঝতে পেরে শফিকুল শেষ পর্যন্ত মেয়ের বাল্যবিয়ে ভেঙ্গে দিয়ে রত্নাকে আবার স্কুলে পাঠান। রত্না বর্তমানে ভাঙ্গুড়া মহিলা কলেজে একাদশ শ্রেণীতে লেখাপড়া করছে।
