মোতায়েন থাকবে র্যাবের এক হাজার সদস্য

আপডেট : ২১ জুন ২০১৪, ২১:৫২
নারায়ণগঞ্জ উপ-নির্বাচন আগামী ২৬ জুন অনুষ্ঠিতব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর ও বন্দর) আসনের উপ-নির্বাচনের দিন মোতায়েন থাকবে র্যাবের প্রায় এক হাজার সদস্য। টহলে থাকবে অনেক র্যাব সদস্য। শনিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে অবস্থিত র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল আনোয়ার লতিফ খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, উপ-নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের সময় কোনো কেন্দ্র বা কোনো এলাকার তথ্য আদান প্রদানের জন্য সরাসরি আমাদের সাথে যোগাযোগের মোবাইল নাম্বার-০১৭৭৭৭১১১০০। র্যাব-১১ এর টিম নির্বাচনের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক টহল দিবে। এ বিশেষ টহল থাকবে শুধু নির্বাচন কেন্দ্রিক। আর অন্যান্য কার্যক্রম আগের মতই থাকবে। আমাদের কার্যক্রম চলমান আছে, থাকবে। আমাদের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয় তাই দেখতে পাওয়া যায় না। সেনা মোতায়েনের দাবি উপ-নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন, আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি এসএম আকরামের পক্ষে নির্বাচনী পরিচালনায় গঠিত নারায়ণগঞ্জ নাগরিক পরিষদ। শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসএম আকরামের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের আহবায়ক নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, এবি সিদ্দিক, গণফোরাম জেলা শাখার সভাপতি দেলোয়ার হোসেন চুন্নু, জেলা সিপিবি’র সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, জেলা বাসদের সমন্বয়ক নিখিল দাস, জেলা জাসদের অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ শহীদুল্লাহ, জহিরুল ইসলাম জহির প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সেলিম ওসমানের সন্ত্রাসীরা সমগ্র নির্বাচনী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। সেলিম ওসমানের ছোট ভাই নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। রিটার্নিং অফিসারের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। ফতুল্লার মীর সোহেলের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অত্র আসনের ভোটার না হওয়া সত্ত্বেও লাঙ্গলের পক্ষে মিছিল করে শহরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির নেতা আকরাম আলী শাহীনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটিদল সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহবায়ক রফিউর রাব্বিসহ কর্মীদের হামলা করে ৭ জনকে আহত করেছে। লাঙ্গলের সমর্থকরা শহরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করে ভোটারদের মধ্যে ভয়-ভীতি ঢুকিয়ে নির্বাচনের দিন কেন্দ্র দখল করার পাঁয়তারা করছে। এসব কারণে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে অবিলম্বে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিজিবি মোতায়েন করতে হবে। পুলিশের সংখ্যা দ্বিগুণ করে কেন্দ্রে কেন্দ্রে মোতায়েন করতে হবে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে (যেমনটি গত মেয়র নির্বাচনে করা হয়েছিল)। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। নির্বাচনের পূর্বে নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দর থানার ওসিকে প্রত্যাহার করতে হবে।