ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় যৌথভাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার আহবান জানিয়েছেন। প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় ছোট-বড় এবং উন্নত-উন্নয়নশীল দেশসমূহকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, সমন্বিত গবেষণার মাধ্যমে এ বিষয়ে কার্যকর উপায় বের করতে হবে।
উপাচার্য শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো ও জার্মানির হ্যান্স সিডেল ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা’ শীর্ষক এ সমন্বিত নিরাপত্তা সংলাপের আয়োজন করেছে।
এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: আবদুল হান্নান। অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে আরো বক্তৃতা করেন অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিক উজ জামান। স্বাগত বক্তৃতা দেন ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাসের চার্জ দ্যা এ্যাফেয়ার্স ড. ফারদিনান্দ ভন ওহি।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এ্যাডভান্সড রিসার্চের ড. আতিক এ রেহমান ‘দ্য নেক্সস অব ক্লাইমেট চেঞ্জ, ওয়াটার এ্যান্ড এনার্জি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
প্যানেল আলোচক হিসাবে বক্তৃতা করেন জার্মান বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মার্টিন গ্রামবো, ভারতের বিশেষজ্ঞ অংশুমান, পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞ আলী তকির শেখ প্রমুখ। হ্যান্স সিডেল ফাউন্ডেশনের ড. ভলকার বায়ের প্যানেল আলোচনা পর্বটি পরিচালনা করেন।
উপাচার্য বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বেশি মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব দেশ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, নদী ভাঙ্গন, খরা, পানি সমস্যা, লবণাক্ততা, উষ্ণতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
