বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিমকোর্ট বার সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত আদালত অবমাননার অভিযোগ নিষ্পত্তি করে দিয়েছে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তবে ভবিষ্যতে আদালত বা বিচার বিভাগ নিয়ে কোন মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আরো সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রবিবার এ আদালত অবমাননার অভিযোগ নিষ্পত্তি করে দেন।
ট্রাইব্যুনাল বলেন, বাকস্বাধীনতা সবারই রয়েছে। কিন্তু এর সুযোগ নিয়ে কেউ আদালত অবমাননা করতে পারেন না। ট্রাইব্যুনাল বলেন, খন্দকার মাহবুবের বক্তব্য দুইভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। একভাবে বিবেচনা করলে বলা যায়, তিনি আদালত অবমাননা করেছেন। আরেকভাবে বিবেচনা করলে তিনি আদালত অবমাননা করেননি। তবে ট্রাইব্যুনাল মনে করে, খন্দকার মাহবুব আইনজীবীদের নেতা, একটি দায়িত্বশীল পদে আছেন। তার এমন কোনো মন্তব্য করা উচিত নয়, যাতে আইনজীবী ও আদালতের মাঝে কোন ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।
গত ৮ মে আদালত অবমাননার অভিযোগে খন্দকার মাহবুবের বিরুদ্ধে জারি করা রুলের বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। খন্দকার মাহবুব হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকউটর জেয়াদ আল মালুম।
উল্লেখ্য, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য দেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। ঐ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে গত বছরের ৬ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে রুল জারি করে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
