রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে ভারত সীমান্তবর্তী এলাকার চোরাকারবারীরা আবারো তত্পর হয়ে উঠেছে। ভারত থেকে অবৈধভাবে তারা আনছে শাড়ি, থ্রি-পিছ, থান কাপড়, ফেনসিডিল, গাঁজা, হুইস্কি, বিয়ার ও মসলাসহ নানা পণ্য। নিরাপদ স্থানে এগুলো রেখে পরে কাভার্ডভ্যানে করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।
ইতিমধ্যে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের জেলায় বিলাসবহুল বিপণিগুলোতে উঠতে শুরু করেছে ভারতীয় পণ্য। বহু দোকান মালিক ঝামেলা এড়াতে দোকানগুলোতে পর্যাপ্ত মালামাল না রেখে বাসা-বাড়িতে এসব চোরাই পণ্য স্তূপ করেছে। ব্যবসায়ীরা তাদের পছন্দের মালামালের তালিকা ধরিয়ে দিচ্ছে চোরাকারবারীদের কাছে। এরপর চোরাকারবারীরা সীমান্ত পার করে মালামাল সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে।
সূত্র জানায়, সীমান্ত জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মিত হলেও কিছু দূর পর পর রয়েছে গেট। দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের ম্যানেজ করে চোরাকারবারীরা প্রতিদিনই কিছু সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ অর্থের বিনিময়ে গেটগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ সময় সীমান্তরক্ষীরা অপেক্ষাকৃত আড়ালে চলে গেলে দু’দেশে প্রবেশ করে অবৈধ পণ্য।
বর্তমানে জেলার বালিয়াডাঙ্গীর বৈউর ঝাড়ি, মন্ডুমালা, ধনতলা, রাণীশংকৈলের ডাবরী, ধর্মগড়, মলানীসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথে বাংলাদেশে চোরাই পণ্য ঢুকছে। সীমান্তে চোরাকারবারীরা এতটাই বেপরোয়া অনেক সময় বিজিবির সঙ্গেও তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঠাকুরগাঁও বিজিবি সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল গোলাম মোস্তফা জানান, রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে বিজিবি’র নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। চোরাই পথে ভারতীয় পণ্য যেন সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য সীমান্ত ক্যাম্পগুলোতে টহল বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
